The news is by your side.

খেরসনে ইউক্রেনের জন্য ফাঁদ পাতছে রাশিয়া?

0 25

ইউক্রেনের দক্ষিণাঞ্চল থেকে বেসামরিক লোকজনকে সরিয়ে নিতে গত কয়েকদিন যাবৎ ক্রেমলিন বেশ জোড়ালো অবস্থান নিয়েছে। বেলজিয়ামের সমান আকারের খেরসোন প্রদেশটি ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসন শুরুর পর অধিকৃত ক্রিমিয়া উপদ্বীপে প্রবেশের দ্বার হিসেবে কাজ করে আসছে। ফেব্রুয়ারিতে রুশ আক্রমণ শুরুর পরই খেরসনের দখল নিয়েছিল রাশিয়া।

ডিনিপার নদী দ্বারা বিভক্ত খেরসন হলো প্রথম ইউক্রেনীয় শহর যা পুরোপুরি দখল করতে সক্ষম হয় রাশিয়া। দখলের পর এখানে দশ হাজার সেনা তারা মোতায়েন করেছিল।

ডিনিপার নদীর পশ্চিম তীরের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখা রাশিয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এখান থেকে আরও উত্তর ও পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারবে রুশ সেনারা।

কিন্তু গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ইউক্রেনের সেনারা পশ্চিম তীরে বেশ কয়েকটি গ্রাম ও শহর রুশদের কাছ থেকে পুনরুদ্ধার করেছে। একই সময় তারা ডিনিপার নদীর সেতু, ফেরি ও পন্টুনে হামলা চালিয়েছে। অস্ত্র গুদামে চালিয়ে গুপ্ত হামলা।

এদিকে, গত দশদিন ধরে মস্কো সেখানকার দশ হাজার বেসামরিক লোকজনকে পশ্চিম তীর ছেড়ে ক্রিমিয়া ও রাশিয়ার মূল ভূখন্ডে চলে যাওয়ার অনুরোধ জানিয়ে আসছে। তারা দাবি করছে ৭০ হাজার বেসামরিক লোকজন স্বেচ্ছায় এলাকা ছেড়েছে এবং এ জন্য তারা ওই সব লোকজনকে রাশিয়ার যে কোনো এলাকায় বসবাস করতে সার্টিফিকেট দিচ্ছে।

মস্কো বলছে ওই এলাকাকে বন্যার পানিতে ভাসিয়ে দিতে ইউক্রেন নোভা কাখোভকা এলাকার বাঁধটিতে বোমা বর্ষণের পরিকল্পনা করছে। তবে কিয়েভ এই অভিযোগ বাতিল করে দিয়েছে।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বেসামরিক লোকজনকে সরিয়ে নেয়ার এই তৎপরতাকে রাশিয়ার ভয়ের পরিবেশ সৃষ্টির জন্য তৈরি করা ফাঁদ হিসেবে অভিহিত করেছেন। ইতালির একটি গণমাধ্যমকে দেয়া সাক্ষাতকারে জেলনস্কি বলেন, ‘তাদের সবচেয়ে ভালো প্রশিক্ষিত সৈন্যরা সেখানে আছে। আমরা এসব দেখছি তবে তাদের বিশ্বাস করি না।’

 

 

 

 

Leave A Reply

Your email address will not be published.