লাবনী সেনগুপ্ত, মুম্বাই
‘টক্সিক’ ছবির প্রথম ঝলক প্রকাশ্যে আসার পর থেকে নানা বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রথম ঝলক থেকেই এই ছবিকে দেওয়া হয়েছিল ‘নারীবিদ্বেষী’ তকমা। এ বার প্রকাশ্যে যশ এবং কিয়ারা আডবাণীর ছবির প্রথম গান।
গানের ভিডিয়ো এক দিকে যেমন দর্শকের একাংশকে মুগ্ধ করেছে, অন্য দিকে তেমনই সাহসী ও ঘনিষ্ঠ দৃশ্যের জন্য তীব্র সমালোচনার মুখেও পড়েছে। সমাজমাধ্যমে গানটি ঘিরে শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক।
যশ ও কিয়ারার রসায়ন, আবেগঘন অভিনয়, সঙ্গে গানের আবহ পুরো বিষয়টিকে আলাদা মাত্রা দিয়েছে। প্রেমকে এখানে দেখানো হয়েছে এমন এক অনুভূতি হিসাবে, যা একই সঙ্গে গভীর, আবেগপ্রবণ এবং সর্বগ্রাসী।
গানটি প্রকাশের পর থেকেই সমাজমাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। বহু দর্শক যশ ও কিয়ারার অনস্ক্রিন রসায়নের প্রশংসা করেছেন। তাঁদের মতে, এই জুটিই হল বড় আকর্ষণ।
সমালোচনার সুরও কম জোরালো নয়। একাংশের অভিযোগ, অ্যাকশনধর্মী ছবির প্রথম ঝলক হিসেবে এত ঘনিষ্ঠ দৃশ্যের আধিক্য অপ্রয়োজনীয়। কারও মতে, এটি অ্যাকশন ছবির প্রচারের বদলে ‘ইরোটিকা’র আবহ তৈরি করেছে। আবার কেউ লিখেছেন, ছবির নাম ‘টক্সিক’ হওয়ায় নির্মাতারা যেন বিতর্কিত বা আপত্তিকর বিষয়কে স্বাভাবিক হিসাবে তুলে ধরার সুযোগ নিচ্ছেন। অন্য এক অনুরাগীর মন্তব্য, ভিডিয়োটি অনেকটাই গর্ভনিরোধকের বিজ্ঞাপনের মতো মনে হয়েছে। যদিও সমালোচনার মাঝেও অনেকেই কিয়ারার লুক ও পর্দায় উপস্থিতির প্রশংসা করেছেন।

গানটির সুর, কণ্ঠ ও প্রযোজনার দায়িত্ব সামলেছেন বিশাল মিশ্র। হিন্দি গানের কথা লিখেছেন রাজ শেখর। শুধু হিন্দিতেই নয়, গানটি একসঙ্গে কন্নড়, তেলুগু, তামিল এবং মলয়ালম ভাষাতেও প্রকাশিত হয়েছে। উল্লেখ্য, এই ছবি নিয়ে যশ বলেছিলেন, “সাধারণত অ্যাকশন ছবি বললেই পুরুষ পরিচালকদের কথা মাথায় আসে। ভারতে দীর্ঘদিন ধরেই এমনটা হয়ে আসছে। বড় মাপের অ্যাকশন, তার উপর গ্যাংস্টারদের নিয়ে তৈরি ছবির পরিচালনা পুরুষেরাই করে থাকেন। এ বার যদি লড়াইয়ের ছবি নারীর দৃষ্টিভঙ্গিতে হয়, সেটা নতুন হবে।” ছবিটি ২৬ অগস্ট মুক্তি পাওয়ার কথা।
Comments are closed.