লাবনী সেনগুপ্ত
হাফ সেঞ্চুরি করে ফেলেছেন। কিন্তু তাঁর মেদহীন টানটান চেহারা দেখে, তা বোঝার উপায় নেই। শুধু ফিটনেস নয়, তাঁর ত্বকেও নজর আসে না বার্ধক্যের ছাপ। শিল্পা শেট্টিতে নিয়মিত যোগাসন করেন, তা অনুরাগীদের জানা। কিন্তু ত্বকের সৌন্দর্য কী ভাবে ধরে রেখেছেন জানেন? কোনও বিশেষ স্কিন কেয়ার নয়। বরং, অতি সাধারণ নিয়ম মেনে চলেন শিল্পা। ঘরোয়া টোটকা হিসেবে শুধু কোল্ড-প্রেসড অয়েলের উপর ভরসা করেন। আর ত্বকের খেয়াল রাখতে কখনও মুখে সাবান মাখেন না।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে শিল্পা বলেন, ‘আমি মুখে কখনও সাবান ব্যবহার করিনি। এমনকী আমার মা-ও করেননি। এটাই সবচেয়ে ভালো টিপস। মুখে কখনও সাবান ব্যবহার করবেন না।’ এ ছাড়া কোল্ড-প্রেসড অয়েল হিসেবে ক্যাস্টর অয়েল ব্যবহার করেন তিনি।
মুখে সাবান মাখা উচিত নয় কেন?
শরীরের অন্যান্য অংশের তুলনায় মুখের ত্বক অত্যন্ত কোমল হয়। মুখে সাবান মাখলে ত্বক রুক্ষ হয়ে যায়। সাবানে থাকা উপাদান ত্বকের পিএইচ স্তরের ভারসাম্য নষ্ট করে দেয়। ত্বকের প্রাকৃতিক তেলের স্তর বা ত্বকের যে প্রাকৃতিক সুরক্ষাকবচ থাকে, তা নষ্ট করে দেয়। এর জেরে ত্বক শুষ্ক ও খসখসে হয়ে ওঠে। ত্বক স্পর্শকাতর হয়ে যায় এবং এগজিমার সমস্যা বাড়ে।
সাবান কখন ব্যবহার করা উচিত?
সাবান গায়ে মাখার জন্য, মুখের জন্য নয়। তাও সব সময়ে যে গায়েও সাবান ব্যবহার করতে হবে, এমনটা নয়। শাওয়ার জেল বা বডি ওয়াশ ব্যবহার করতে পারেন। আপনি যদি সারাক্ষণ ধুলোবালির মধ্যে থাকেন, খুব ঘেমে যান, তখন স্নানের সময়ে সাবান ব্যবহার করতে পারেন। আন্ডারআর্মস, পায়ের পাতার মতো অংশ সাবান দিয়ে পরিষ্কার করা জরুরি।
ত্বকের ধরন অনুযায়ী ক্লিনজ়ার বেছে নিন
শুষ্ক ত্বকের জন্য গ্লিসারিন বা সিরামাইড যুক্ত হাইড্রেটিং ক্রিম বা লোশন ক্লিনজ়ার বেছে নিন। তৈলাক্ত ও ব্রণ-প্রবণ ত্বক হলে স্যালিসিলিক অ্যাসিড যুক্ত হালকা, জেল বা ফোমিং ক্লিনজ়ার ব্যবহার করা উচিত। কম্বিনেশন ত্বকের জন্য ব্যালান্সড ক্লিনজ়ার আদর্শ। আর স্পর্শকাতর ত্বক হলে নিয়াসিনামাইড বা অ্যালোভেরা রয়েছে এমন ক্লিনজ়ার ব্যবহার করুন। খেয়াল রাখবেন তাতে যেন কোনও সুগন্ধ না থাকে এবং ফেনা যেন না হয়।
Comments are closed.