The news is by your side.

৪৯ শতাংশ বৈদেশিক মুদ্রাই আসে হুন্ডির মাধ্যমে

0 45

দেশে ৫১ শতাংশ বৈদেশিক মুদ্রা বৈধ পথে আসে আর ৪৯ শতাংশ আসে অবৈধ পথ যেমন হুন্ডির মাধ্যমে। দেশের কালো টাকার জোগানদাতাদের চিহ্নিত করতে না পারলে সহজে এ সমস্যা সমাধান করা সম্ভব নয়।

ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) অডিটোরিয়ামে ‘বৈধ পথে সহজে, নিরাপদে ডিজিটাল মাধ্যমে প্রবাসী আয় পাঠাতে করণীয়’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ও সানেমের চেয়ারম্যান ড. বজলুল এইচ খন্দকার, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক শরমিন্দ নীলোর্মি, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক ও উপপ্রধান বিএফআইইউ ইস্কান্দার মিয়া, পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর।

পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান বলেন, বৈদেশিক মুদ্রা আনায় যে প্রণোদনা দেয়া হচ্ছে তা নেতিবাচকভাবেও ব্যবহূত হতে পারে। কারণ আমাদের দেশে টাকা পাঠানোর যেমন লোক আছে, আবার দেশ থেকে টাকা পাচার করার লোকও আছে।

ড. বজলুল এইচ খন্দকার বলেন, আমাদের দেশে ৫১ শতাংশ বৈদেশিক মুদ্রা বৈধ পথে আসে আর ৪৯ শতাংশ আসে অবৈধ পথ যেমন হুন্ডির মাধ্যমে। এখান থেকে প্রতি মাসে যদি মাত্র ১০ থেকে ১২ বিলিয়ন বৈধ পথে আনা যায় তাহলেই আমাদের রিজার্ভ বেড়ে যাবে। সরকারি-বেসরকারি পদক্ষেপ নেয়ার কারণে কোভিডের সময় আমাদের রেমিট্যান্স আহরণ বেড়েছে। এ ধরনের পদক্ষেপ নেয়া অব্যাহত রাখতে হবে।

আহসান এইচ মনসুর বলেন, ইনভিজিবল সেক্টর যেমন আইটি সেক্টরে উন্নতি করতে হবে এবং এখানে বৈদেশিক মুদ্রার আয় বাড়াতে হবে। দেশে বসে আইটি সেবা দিয়ে ভারত বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার আয় করছে। প্রবাসীদের রেমিট্যান্স পাঠাতে বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলের আরো সম্প্রসারণ করতে হবে যাতে এটা এজেন্ট ছাড়াই হয়।

মাসরুর রিয়াজ বলেন, ব্যালান্স অব পেমেন্ট ক্রাইসিস মেটাতে ডলার সাপ্লাই বাড়াতে হবে। চার জায়গা থেকে ডলার সাপ্লাই আসে তার মধ্যে রেমিট্যান্স আমাদের সবচেয়ে শক্ত জায়গা। রেমিট্যান্স বাড়াতে হলে সরকার এবং বেসরকারি পর্যায় থেকে এর দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধি নিয়ে ভাবতে হবে। আমাদের রফতানিতে বৈচিত্র্য আনতে হবে এবং সেবা রফতানি বাড়াতে হবে।

Leave A Reply

Your email address will not be published.