The news is by your side.

বিএনপি কর্মীরাই সংঘর্ষের শুরু করেছে: পুলিশ

0 57

রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপিকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে পুরো এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। প্রায় এক ঘণ্টা ধরে চলে বিএনপিকর্মীদের ইটপাটকেল ও ককটেল নিক্ষেপ এবং বিপরীতে পুলিশের টিয়ারশেল ও গুলি। পুলিশ বলছে, বিএনপি কর্মীরাই সংঘর্ষের শুরু করেছে।

বিকাল ৪টার দিকে মতিঝিল বিভাগের উপকমিশনার হায়াতুল ইসলাম খান উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, এখনও বিএনপির সমাবেশের স্থান নির্ধারণ করা হয়নি। কিন্তু তারা (বিএনপি কর্মীরা) রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছেন। বারবার অনুরোধ করার পরও তারা কথা শোনেননি। পুলিশ তাদের তুলে দিতে গেলে সংঘর্ষ বেঁধে যায়।

তিনি আরও বলেন, এখন পর্যন্ত পুলিশের কতজন সদস্য আহত হয়েছে এ বিষয়ে তথ্য নাই। এছাড়া কতজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে তা বলা যাচ্ছে না।

এদিকে ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব সরকার বলেন, জনগণের নিরাপত্তা দেওয়াই আমাদের প্রথম দায়িত্ব। যত ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার তা ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ গ্রহণ করবে।  কতজনকে আটক করেছে পুলিশ এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, আমরা এখন অ্যাকশন মুডে আছি। তাই এর উত্তর দিতে পারছি না।

যুগ্ম পুলিশ কমিশনার মেহেদি হাসান বলেন, বিএনপির নেতাকর্মীরা তাদের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান করে পুরো এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে। এমতাবস্থায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির যেন অবনতি না ঘটতে পারে তার জন্য ডিএমপি কর্তৃপক্ষের যা যা করণীয় তাই তাই করছে। এখন পর্যন্ত সব কিছু আমাদের নিয়ন্ত্রণে।

বিএনপির প্রচার সম্পাদক ও মিডিয়া সেলের সদস্য সচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, বিএনপি কার্যালয় থেকে আমি বের হয়ে আসি। এসময় ডিবি পুলিশের লোকজন আমাকে হেফাজতে নিয়েছে। কোথায় নিয়ে যাচ্ছে আমি জানি না। এসময় এই নেতা বারবার বলেন, এটা অন্যায় এটা অন্যায়।

বুধবার বিকাল পৌনে ৪টার দিকে সাংবাদিকদের বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, আগামী ১০ ডিসেম্বর ঢাকা বিভাগীয় গণসমাবেশ বানচাল করতে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে অবস্থানরত নিরীহ নেতাকর্মীদের ওপর গুলি ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করা হয়েছে। এতে বহু নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। যতই হামলা করা হোক আগামী ১০ ডিসেম্বর নয়াপল্টনে বিএনপির শান্তিপূর্ণ সমাবেশ হবে।

Leave A Reply

Your email address will not be published.