নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী
রাজশাহী চেম্বার অব কর্মাস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির নির্বাচনের ফলাফল পুনঃগণনার দাবি জানিয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে আপিল করেছেন পরাজিত নয়জন প্রার্থী। এর মধ্যে একজন সভাপতি ও আটজন পরিচালক আছেন।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দুপুর আড়াইটায় নির্বাচন কমিশনে এই আপিল করা হয়। পরাজিত প্রার্থীরা নির্বাচনের ফলাফলের নানা অসঙ্গতি তুলে ধরেছেন। এর মধ্যে আপিল করেন ‘ক’ প্যানেলের সভাপতি প্রার্থী খন্দকার মিজানুর রহমান।
পরিচালক শাহীন ইকবাল, শওকত খান, মঞ্জুর রহমান, শেখ সেলিম আহমেদ, মো. আসাদুজ্জামান। আবেদনে প্রার্থীরা তারা বলেন, নির্বাচনে ‘খ’ প্যানেলের সভাপতি প্রার্থী হাসেন আলীকে কারচুপির মাধ্যমে জয়ী ঘোষণা করা হয়েছে। আর এই অপকর্ম ঢাকতে কজন পরিচালককে জয়ী করে ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার হয়। এছাড়াও ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশ নিষেধ থাকলেও একজন ভোটার সীলসহ ব্যালটের ছবি তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন।
আর যৌক্তিক কোনো কারণ ছাড়াই বেশকিছু ভোট বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। সেক্ষেত্রে নির্বাচনে দেয়া বিধিমালায় সুষ্পষ্ট কোনো নিয়ম নেই। একটি পক্ষকে জয়ী করতে ইচ্ছে করেই নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা এসব কাজ করেছেন। আপিলে কাঙ্খিত বিচার না পেলে আইনী পদক্ষেপ নেয়ারও হুঁশিয়ারি দেয়া হয়েছে।
‘ক’ প্যানেল থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা সভাপতি পদে পরাজিত প্রার্থী খন্দকার মিজানুর রহমান বলেন, আমি ফলাবল সিটে সন্তুষ্টি না হয়ে আপিল করেছি। সন্তুষ্টি না হওয়ার অন্যতম কারণ দুটি আছে। মোট ভোটার হচ্ছে ২ হাজার ৯০০ জন। মোট প্রাপ্ত ভোট হচ্ছে ২ হাজার ৪৩৪। বাতিল ভোট হচ্ছে ৩৪৯। বৈধ ভোট ধরা হয়েছে ২হাজার ৮৫টি। দেখানো হয়েছে আমার ১০২৬, হাসেন আলী বিজয়ী ১০৪১ আব্দুল আউয়াল খান জ্যোতি ১১টি। তাতে ২ হাজার ৭৮টি ভোট হয়। বাকি সাতটা ভোট কি হল এ ব্যাপারে কোন যুিক্ত সংগত কোন ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।
Comments are closed.