The news is by your side.

ইরানে অভিযান চালিয়ে নিখোঁজ পাইলটকে উদ্ধার করল মার্কিন সেনা

গুলি করে নামানো হয়েছিল এফ-১৫ যুদ্ধবিমান

147

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ইরানে রুদ্ধশ্বাস অভিযান চালিয়ে নিখোঁজ পাইলটকে উদ্ধার করল মার্কিন সেনা। শুক্রবার ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল মার্কিন সেনার একটি এফ-১৫ ই যুদ্ধবিমান। ইরানের মাটিতে ভেঙে পড়েছিল সেটি।

বিমানের এক পাইলটকে উদ্ধার করতে পারলেও, ওই বিমানেরই অন্য পাইলটের কোনও খোঁজ মিলছিল না। তার পর থেকেই পাইলটকে উদ্ধার করতে মরিয়া হয়ে উঠেছিল আমেরিকা। সেই ঘটনার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই পাইলটকে উদ্ধার করল মার্কিন সেনা।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পাইলট উদ্ধারের কথা ট্রুথ সোশ্যালে জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘‘আমরা ওঁকে (পাইলট) খুঁজে পেয়েছি। গত কয়েক ঘণ্টা ধরে রুদ্ধশ্বাস অভিযান চালানো হয়েছে শত্রুপক্ষের মাটিতে। তাঁকে অবশেষে উদ্ধার করা গিয়েছে। আমি অত্যন্ত খুশি। পাইলট নিরাপদে রয়েছেন। তাঁকে সুরক্ষিত অবস্থায় ইরানের মাটি থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।’’

মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন সেনার বিশেষ বাহিনী ইরানের মাটিতে ঢুকে পাইলটের খোঁজে তল্লাশি শুরু করে। তাদের লক্ষ্য করে একের পর এক বোমাবর্ষণ করা হয়। কিন্তু সেই হামলার মধ্যেও পাইলটকে খুঁজে বার করে তারা। ভেনিজ়ুয়েলায় যে ভাবে ‘প্রিসিশন’ অভিযান চালিয়ে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে তুলে নিয়ে আসে মার্কিন বাহিনী, ইরানের মাটিতেও সে রকম ‘প্রিসিশন’ অভিযান চালানো হয় পাইলটকে উদ্ধারের জন্য। গত শুক্রবার মার্কিন বাহিনীর এফ-১৫ই বিমানকে মধ্য ইরানের বোয়ার-আহমাদ প্রদেশের কাছে গুলি করে নামানোর দাবি করে ইরান। এক পাইলটকে উদ্ধার করে মার্কিন সেনা। কিন্তু ওয়েপন সিস্টেম অফিসার তথা আর এক পাইলট নিখোঁজ হয়ে যান।

পাইলট নিখোঁজ হওয়ার পরই ইরান সেনা তাঁর খোঁজ চালাতে শুরু করে। স্থানীয় লোকজনকেও এই তল্লাশি অভিযানে শামিল করা হয়। ইরানের রেভোলিউশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) পুরো এলাকা ঘিরে ফেলে তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছিল।

আল জাজ়িরা-র প্রতিবেদন বলছে, নিখোঁজ হয়ে যাওয়া পাইলট ইরানের মাটিতেই আত্মগোপন করেছিলেন। পাইলটকে উদ্ধারের জন্য বেশ কয়েকটি যুদ্ধবিমানকে অভিযানে নামানো হয়। ইরানের পাহাড়ি এলাকায় লুকিয়ে ছিলেন পাইলট। ৪৮ ঘণ্টা পর তাঁর হদিস পেতেই রুদ্ধশ্বাস অভিযান চালিয়ে উদ্ধার করে নিয়ে আসা হয়েছে। এটিকে মার্কিন বাহিনীর বিরাট সাফল্য বলে উল্লেখ করেছেন ট্রাম্প।

 

Comments are closed.