হাই কোর্টে আটকে গেল ফোর জি Reviewed by Momizat on . ফোরজি মোবাইল ফোন সেবার লাইসেন্স এবং তরঙ্গ নিলামের জন্য আবেদন আহ্বান করে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা-বিটিআরসির করা বিজ্ঞপ্তি স্থগিত করেছে হাই কোর্ট। এক রিট আবেদ ফোরজি মোবাইল ফোন সেবার লাইসেন্স এবং তরঙ্গ নিলামের জন্য আবেদন আহ্বান করে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা-বিটিআরসির করা বিজ্ঞপ্তি স্থগিত করেছে হাই কোর্ট। এক রিট আবেদ Rating: 0
You Are Here: Home » slider » হাই কোর্টে আটকে গেল ফোর জি

হাই কোর্টে আটকে গেল ফোর জি

হাই কোর্টে আটকে গেল ফোর জি

ফোরজি মোবাইল ফোন সেবার লাইসেন্স এবং তরঙ্গ নিলামের জন্য আবেদন আহ্বান করে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা-বিটিআরসির করা বিজ্ঞপ্তি স্থগিত করেছে হাই কোর্ট।

এক রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি জাফর আহমদের হাই কোর্ট বেঞ্চ বৃহস্পতিবার রুলসহ এ আদেশ দেয়।

সরকার বছরের প্রথম ভাগেই ফোরজি সেবা চালুর আশা দিয়ে এলেও হাই কোর্টের এই আদেশের ফলে তা অনিশ্চয়তায় পড়ল।

বিটিআরসির ওই বিজ্ঞপ্তি ২০০৮ সালের ব্রডব্যান্ড গাইডলাইন্সের সঙ্গে সাংঘর্ষিক- এমন যুক্তি দিয়ে বাংলালায়ন কমিউনিকেশন্স লিমিটেডের পক্ষে আদালতে এই রিট আবেদন করা হয়।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন ড. কামাল হোসেন। সঙ্গে ছিলেন রমজান আলী সিকদার। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সমরেন্দ্র নাথ বিশ্বাস।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের চূড়ান্ত অনুমোদন পাওয়ার পর টেলিযোগাযোগের ফোরজি সেবার লাইসেন্স ও তরঙ্গ নিলামের নীতিমালা গত ২৯ নভেম্বর হাতে পায় টেলিযোগাযোগ বিভাগ।

এরপর ৪ ডিসেম্বর বিটিআরসি ফোরজি লাইসেন্সের আবেদন চেয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে।

সেখানে তরঙ্গ নিলামের জন্য ১৩ ফেব্রুয়ারি দিন রেখে ১৪ জানুয়ারির মধ্যে আগ্রহীদের ফোরজি সেবার লাইসেন্সের আবেদন জমা দিতে বলা হয়।

কমিশন সভায় অনুমোদিত সময়সূচিতে ১৯ ডিসেম্বরের মধ্যে  আপত্তি জমা, ২১ ডিসেম্বর প্রি-বিড মিটিং, ১৪ জানুয়ারির মধ্যে আবেদনপত্র জমা, ২৫ জানুয়ারি যোগ্য প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ, ২৯ জানুয়ারি নিলাম প্রক্রিয়া নিয়ে পরামর্শ, ৫ ফেব্র্রুয়ারির মধ্যে বিড আর্নেস্ট মানি পরিশোধ, ৭ ফেব্রুয়ারি নিলামে অংশগ্রহণকারীর স্বীকৃতি বা প্রত্যাখ্যানের চিঠি পাঠানো, ১২ ফেব্রুয়ারি নিলামের মহড়া, ১৩ ফেব্রুয়ারি তরঙ্গ নিলাম এবং ১৪ ফেব্রুয়ারি বিজয়ী আবেদনকারীদের নোটিস দেওয়ার কথা বলা হয়।

অনুমোদিত নীতিমালায় বলা হয়, ফোরজি লাইসেন্সের জন্য নিলাম হবে না। আবেদন করে নির্দিষ্ট অর্থ জমা দিয়ে লাইসেন্স নেওয়া যাবে।

অপারেটরদের আবেদন ফি হিসেবে পাঁচ লাখ টাকা দিতে হবে। লাইসেন্স পেতে দিতে হবে ১০ কোটি টাকা। আর বার্ষিক নবায়ন ফি হবে ৫ কোটি টাকা।

এ লাইসেন্স নিতে অপারেটরদের ১৫০ কোটি টাকা ব্যাংক গ্যারান্টিও দিতে হবে। রেভিনিউ শেয়ারিংয়ে সরকারকে দিতে হবে আয়ের ৫ দশমিক ৫ শতাংশ।

অপারেটরগুলোকে ফোর জি তরঙ্গ বরাদ্দ পেতে অংশ নিতে হবে নিলামে। নীতিমালায় এক হাজার ৮০০ মেগাহার্টজের তরঙ্গ নিলামের ভিত্তিমূল্য ঠিক করা হয়েছে প্রতি মেগাহার্টজে ৩০ মিলিয়ন ডলার। আর থ্রি জির দুই হাজার ১০০ মেগাহার্টজের প্রতি মেগাহার্টজ ২৭ মিলিয়ন ডলার এবং ৯০০ মেগাহার্টজের প্রতি মেগাহার্টজ ৩০ মিলিয়ন ডলার ভিত্তিমূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

আর টু জি ও থ্রি জি সেবার জন্য বরাদ্দ করা তরঙ্গে প্রযুক্তি নিরপেক্ষতা পেতে (যাতে ওই তরঙ্গ যে কোনো প্রযুক্তিতে ব্যবহার করা যায়) প্রতি মেগাহার্টজের জন্য চার্জ দিতে হবে।

About The Author

admin

সংবাদের ব্যাপারে আমরা সত্য ও বস্তুনিষ্ঠতায় বিশ্বাস করি।বিশ্বাস করি, মুক্তিযুদ্ধের সুমহান চেতনায়। আমাদের প্রত্যাশা একাত্তরের চেতনায় বাংলাদেশ এগিয়ে যাক সুখী সমৃদ্ধশালী উন্নত দেশের পর্যায়ে।

Number of Entries : 7902

Leave a Comment

সম্পাদক : সুজন হালদার, প্রকাশক শিহাব বাহাদুর কতৃক ৭৪ কনকর্ড এম্পোরিয়াম শপিং কমপ্লেক্স, ২৫৩-২৫৪ এলিফ্যান্ট রোড, কাঁটাবন, ঢাকা থেকে প্রকাশিত। ফোনঃ 02-9669617 e-mail: info@visionnews24.com
Design & Developed by Dhaka CenterNIC IT Limited
Scroll to top