স্যোশাল মিডিয়া ব্যবহারে সরকারের নির্দেশিকা Reviewed by Momizat on . জাতীয় ঐক্য ও চেতনার পরিপন্থি কোনো রকম কন্টেন্ট ও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগে এমন কন্টেন্ট প্রকাশের নিষেধাজ্ঞা দিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারের নির্দেশিকা প্ জাতীয় ঐক্য ও চেতনার পরিপন্থি কোনো রকম কন্টেন্ট ও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগে এমন কন্টেন্ট প্রকাশের নিষেধাজ্ঞা দিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারের নির্দেশিকা প্ Rating: 0
You Are Here: Home » বাংলাদেশ » স্যোশাল মিডিয়া ব্যবহারে সরকারের নির্দেশিকা

স্যোশাল মিডিয়া ব্যবহারে সরকারের নির্দেশিকা

Bangladesh-Govt-Logo

জাতীয় ঐক্য ও চেতনার পরিপন্থি কোনো রকম কন্টেন্ট ও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগে এমন কন্টেন্ট প্রকাশের নিষেধাজ্ঞা দিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারের নির্দেশিকা প্রকাশ করেছে সরকার।
সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করতে এ নির্দেশিকা প্রকাশ করা হয়।
ফেসবুক ছাড়াও আর ১০টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নিয়ে এ নির্দেশনা দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
ফেসবুক, টুইটার, ইউটিউব, স্কাইপে, গুগল প্লাস, ইমো, ভাইবার, লিংকডইন, ইনস্টাগ্রাম, পিন্টারেস্ট ও হোয়াইটসঅ্যাপ- সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম প্ল্যাটফর্মের মধ্যে পড়বে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ রোববার ‘সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার নির্দেশিকা-২০১৬’ নামে নির্দেশিকাটি ওয়েবসাইটে প্রকাশ করেছে।
এতে বলা হয়, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির প্রসারের সঙ্গে সঙ্গে পৃথিবীব্যাপী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর জনপ্রিয়তা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। বাংলাদেশেও ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানিক উভয় পর্যায়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ব্যবহারের এ প্রবণতা লক্ষ্যণীয়।
এতে আরও বলা হয়, সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা রাখছে। দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের মধ্যে ৮০ শতাংশ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করেন। অপরদিকে দেশব্যাপী আট শতাধিক সরকারি অফিস দাফতরিক কাজে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করছে। এটি আরও বৃদ্ধি পাবে।
এর পরিপ্রেক্ষিতে সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত করতে নির্দেশিকা প্রণয়ন।
সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত করা ছাড়াও নির্দেশিকার উদ্দেশ্যের মধ্যে এ মাধ্যম ব্যবহারে সরকারি প্রতিষ্ঠান এবং কর্মচারীদের করণীয় ও বর্জনীয় নির্ধারণ এবং প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা নিশ্চিত করা হয়েছে।
সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদফতর, সংস্থা, মাঠ পর্যায়ের সরকারি অফিস, শিক্ষা/প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান এবং গণকর্মচারী নির্দেশিকার ব্যবহারের আওতাধীন।
সরকারি প্রতিষ্ঠানের স্বচ্ছতা, জবাবদিহীতা ও নাগরিক সম্পৃক্তিতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহারের নতুন নতুন সুযোগ তৈরি এবং সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে একুশ শতকের উপযোগী সক্ষমতা সৃষ্টির করার জন্য ব্যবহার করার কথা বলা হয়।
এর মধ্যে দাফতরিক যোগাযোগ ও মতবিনিময়, সমস্যা পর্যালোচনা ও সমাধান, জনসচেতনতা ও প্রচারণা, নাগরিক সেবা সহজকরণ ও উদ্ভাবন, সিদ্ধান্ত গ্রহণ নীতি নির্ধারণী প্রক্রিয়ায় জনগণের অংশগ্রহণ, জনবান্ধব প্রশাসন ব্যবহার নিশ্চিত এবং সেবা গ্রহীতাদের অভিযোগ নিষ্পত্তি উল্লেখযোগ্য।
পরিহারযোগ্য অংশে বলা হয়েছে- জাতীয় ঐক্য ও চেতনার পরিপন্থি কোনো রকম কন্টেন্ট ও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগে বা ধর্মনিরপেক্ষতার নীতি পরিপন্থি কোনো কন্টেন্ট প্রকাশ করা যাবে না। রাজনৈতিক মতাদর্শ বা আলোচনা সংশ্লিষ্ট কোনো কন্টেন্ট প্রকাশ করা থেকেও বিরত থাকার কথা বলা হয়।
ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর প্রতি বৈষম্যমূলক বা কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে হেয় করা, লিঙ্গ বৈষম্য এবং জনমনে অসন্তোষ বা অপ্রীতিকর মনোভাব সৃষ্টি করতে পারে এমন কোনো কনটেন্ট প্রকাশ করাও যাবে না।
আর সরকারি কর্মচারীদের ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টের ক্ষেত্রে দায়িত্বশীল ও নাগরিক সুলভ আচরণ করা এবং অনুশাসন মেনে চলতে হবে।
কনটেন্ট ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে টেক্সট, ছবি, অডিও, ভিডিও নির্বাচন ও বাছাইয়ে যথার্থতা ও নির্ভরযোগ্যতা থাকতে হবে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অ্যাকাউন্ট ব্যবস্থাপনায় সংশ্লিষ্ট সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করার কথা বলা হয়েছে। দায়িত্ববান ৩/৫ জন ব্যক্তিকে দিয়ে অ্যাডমিন পরিচালনা করবেন।
প্রতিষ্ঠানের পক্ষে অ্যাডমিন সপ্তাহে কমপক্ষে দু’বার হালনাগাদ বা সাড়া প্রদান করতে হবে বলে নির্দেশিকায় বলা হয়।
প্রতিটি সরকারি প্রতিষ্ঠান কর্তৃক তিন মাস অন্তর ব্যবহারের অগ্রগতি ও কার্যকারিতা পর্যালোচনা করতে হবে। প্রত্যেক বছর শেষে মূল্যায়ন করে পুরস্কারের ব্যবস্থা রাখা যেতে পারে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রচলিত বিধি-বিধানের পাশাপাশি অফিসিয়াল সিক্রেটস, সরকারি কর্মচারী আচরণ (আচরণ) বিধিমালা, সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, তথ্য অধিকার আইন, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, কপিরাইট আইন মেনে চলতে হবে।
এ নির্দেশিকা ব্যবহারে কোনো সমস্যা বা অসুবিধা দেখা দিলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সমন্বয় ও সংস্কার ইউনিট বা এটুআই প্রকল্পের নজরে আনার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

About The Author

admin

সংবাদের ব্যাপারে আমরা সত্য ও বস্তুনিষ্ঠতায় বিশ্বাস করি।বিশ্বাস করি, মুক্তিযুদ্ধের সুমহান চেতনায়। আমাদের প্রত্যাশা একাত্তরের চেতনায় বাংলাদেশ এগিয়ে যাক সুখী সমৃদ্ধশালী উন্নত দেশের পর্যায়ে।

Number of Entries : 7228

Leave a Comment

সম্পাদক : সুজন হালদার, প্রকাশক শিহাব বাহাদুর কতৃক ৭৪ কনকর্ড এম্পোরিয়াম শপিং কমপ্লেক্স, ২৫৩-২৫৪ এলিফ্যান্ট রোড, কাঁটাবন, ঢাকা থেকে প্রকাশিত। ফোনঃ 02-9669617 e-mail: info@visionnews24.com
Design & Developed by Dhaka CenterNIC IT Limited
Scroll to top