সকল ষড়যন্ত্র রুখে উন্নয়ন করেছি: প্রধানমন্ত্রী Reviewed by Momizat on . প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, যারা স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে না তারা আবার কিসের উন্নয়ন করবে? দুর্নীতি করে যারা দেশকে ধ্বংস করেছে তাদের জনগণের কাছে যাওয়ার কোন অধ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, যারা স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে না তারা আবার কিসের উন্নয়ন করবে? দুর্নীতি করে যারা দেশকে ধ্বংস করেছে তাদের জনগণের কাছে যাওয়ার কোন অধ Rating: 0
You Are Here: Home » slider » সকল ষড়যন্ত্র রুখে উন্নয়ন করেছি: প্রধানমন্ত্রী

সকল ষড়যন্ত্র রুখে উন্নয়ন করেছি: প্রধানমন্ত্রী

pm-chandpur

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, যারা স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে না তারা আবার কিসের উন্নয়ন করবে? দুর্নীতি করে যারা দেশকে ধ্বংস করেছে তাদের জনগণের কাছে যাওয়ার কোন অধিকার নেই।

রোববার চাঁদপুর স্টেডিয়ামে আওয়ামী লীগ আয়োজিত সমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

চাঁদপুর স্টেডিয়ামে রোববার বিকালে এক জনসভায় শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগের প্রতীক নৌকায় ভোট চেয়ে বলেন, “উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে নৌকা প্রতীকে ভোট চাই।”

নৌকায় ভোট দিতে সমবেত জনতার উদ্দেশে শেখ হাসিনা বলেন, “ভোট দেবেন কিনা দু’হাত তুলে ওয়াদা করেন।”

এসময় হাজারো জনতা দু’হাত তুলে ধরে।

আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপি-জামায়াত লুটপাট করে, নির্যাতন করে, মানি লন্ডারিং করে। তারা সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, গ্রেনেড হামলা করে। মানুষ পুড়িয়ে মারে। নৌকা মার্কায় ভোট দিলে কেউ খালি হাতে ফেরে না। আমরা উন্নয়নে বিশ্বাসী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে অনেক ষড়যন্ত্র হয়েছে। কিন্তু আমাদের লক্ষ্য একটাই ছিল জনগণের উন্নয়ন, বাংলাদেশের উন্নয়ন। সকল ষড়যন্ত্র রুখে দিয়ে উন্নয়ন করতে পেরেছি।

২০০১ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে হারিয়ে দিতে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র ছিল উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, তখন আমি আমার দেশের সম্পদ গ্যাস বেচতে রাজি হইনি বলে ক্ষমতায় আসতে দেয়নি। আর খালেদা জিয়া দেশের সম্পদ বিক্রির মুচলেকা দিয়ে ক্ষমতায় আসে।

শেখ হাসিনা বলেন, আমি জনগণের সেবক। সর্বক্ষণই মানুষের উন্নয়নের কথা চিন্তা করি। ২০০৮ সালে নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসে সারাদেশে উন্নয়ন করেছি। মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে দেশের মানুষকে উদ্বুদ্ধ করেছি। ২০১৪ সালে বিএনপি নির্বাচনে না এসে সারাদেশে ধ্বংসলীলা চালিয়েছে, মানুষ পুড়িয়ে হত্যা করেছে। উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করতে চেষ্টা করেছে। কিন্তু তাদের সে চেষ্টা সফল হয়নি।

তিনি বলেন, জনগণের দোড়গোড়ায় আমরা চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিয়েছি। শিক্ষাক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। বিনামূল্যে বই দিচ্ছি শিক্ষার্থীদের। বিধবা ভাতা, বয়স্ক ভাতা, মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা এসবই আমরা চালু করেছি। মানুষ খেয়ে পড়ে বাঁচতে শিখেছে। আত্মনির্ভরশীল হওয়ার শক্তি পেয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগের সিদ্ধান্ত, বাংলাদেশের একটা মানুষও গৃহহারা থাকবে না। যাদের ঘর নাই, বাড়ি নাই আমরা তাদের বাড়িঘর করে দিচ্ছি। আমরা চাই না দেশের মানুষ ভিক্ষা করে চলুক। এজন্য দেশকে ভিক্ষামুক্ত করার চেষ্টা করছি। এ কাজটি শুরু করেছিলেন খুলনা জেলা প্রশাসক। এজন্য তাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ এখন উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে উন্নীত হয়েছে। বিশ্ব দরবারে আমাদের মাথা উঁচু হয়েছে। আমরা চাই দেশের মানুষের উন্নয়ন। আমরা যা যা ওয়াদা করেছি সব কিছু ঠিকমতো পালন করে যাচ্ছি। ১৬ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুত উৎপাদন করতে সক্ষম হয়েছি। ২০২১ সালের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী পালন করবো। ২০২০ সালে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী পালন ও ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উন্নত দেশে পরিণত করবো।

জনসভাস্থল থেকে প্রধানমন্ত্রী ৪৮টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর ফলক উন্মোচন করেন। এর মধ্যে ২৫টি ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, ২৩টি উদ্বোধন।

২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর ২০০৯ সালে সরকার গঠনের পর থেকে দেশের উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরে শেখ হাসিনা আরো বলেন, “দারিদ্র্যমুক্ত দেশ গড়তে সরকারের ধারাবাহিকতা দরকার।”

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা সব মানুষের উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। যখন ইলিশ শিকার বন্ধ থাকে তখন আমরা জেলেদের মাসে ৪০ কেজি করে চাল দেই। তাদের দুর্দশা রোধে আমরা পদক্ষেপ নিয়ে যাচ্ছি।

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, আপনাদের সন্তান কোথায় যায়, কেন যায় সে বিষয়ে আপনারা লক্ষ্য রাখবেন। তরুণ প্রজন্মকে মাদক ও জঙ্গিবাদ থেকে দূরে রাখতে হবে। এজন্য অভিভাবকদের ভূমিকা রাখতে হবে।

চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নাছির উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আবু নঈম দুলালের উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, দলের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়েদুল কাদের, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচটি ইমাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, ডা. দীপু মনি , আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর, সাবেক মন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক শামীম, কেন্দ্রীয় নেতা সুজিত রায় নন্দী, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মেজর অব. রফিকুল ইসলাম, ড. শামছুল হক ভূঁইয়া, নূরজাহান বেগম মুক্তা, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ ওচমান গনি পাটওয়ারী প্রমুখ।

About The Author

admin

সংবাদের ব্যাপারে আমরা সত্য ও বস্তুনিষ্ঠতায় বিশ্বাস করি।বিশ্বাস করি, মুক্তিযুদ্ধের সুমহান চেতনায়। আমাদের প্রত্যাশা একাত্তরের চেতনায় বাংলাদেশ এগিয়ে যাক সুখী সমৃদ্ধশালী উন্নত দেশের পর্যায়ে।

Number of Entries : 7849

Leave a Comment

সম্পাদক : সুজন হালদার, প্রকাশক শিহাব বাহাদুর কতৃক ৭৪ কনকর্ড এম্পোরিয়াম শপিং কমপ্লেক্স, ২৫৩-২৫৪ এলিফ্যান্ট রোড, কাঁটাবন, ঢাকা থেকে প্রকাশিত। ফোনঃ 02-9669617 e-mail: info@visionnews24.com
Design & Developed by Dhaka CenterNIC IT Limited
Scroll to top