শওকত আলীর উপন্যাসে জীবনবোধ Reviewed by Momizat on . সুজন হালদার কথাসাহিত্য আবেগতাড়িত মুহূর্তের শিল্প নয়। ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির বিমূর্ত সংকেতনিচয়ের রেখাঙ্কন, এমনকি জীবন ও জগতের স্পর্শযোগ্য নয় এমন কোনো আদর্ সুজন হালদার কথাসাহিত্য আবেগতাড়িত মুহূর্তের শিল্প নয়। ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির বিমূর্ত সংকেতনিচয়ের রেখাঙ্কন, এমনকি জীবন ও জগতের স্পর্শযোগ্য নয় এমন কোনো আদর্ Rating: 0
You Are Here: Home » slider » শওকত আলীর উপন্যাসে জীবনবোধ

শওকত আলীর উপন্যাসে জীবনবোধ

শওকত আলীর উপন্যাসে জীবনবোধ

সুজন হালদার

কথাসাহিত্য আবেগতাড়িত মুহূর্তের শিল্প নয়। ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির বিমূর্ত সংকেতনিচয়ের রেখাঙ্কন, এমনকি জীবন ও জগতের স্পর্শযোগ্য নয় এমন কোনো আদর্শ ও মূল্যনিরপেক্ষ শিল্পও উপন্যাস নয়। তা হলে উপন্যাস কী? বাস্তবিকই এর কোনো আদর্শ গড়ন-সংগঠন আছে, যার মাধ্যমে উপন্যাসকে সংজ্ঞায়িত করা যায়? এমন কোনো রীতিনীতি, স্বভাব-বৈশিষ্ট্য কি উপন্যাসে খুঁজে পাওয়া যায়, যার মাধ্যমে এর ব্যাকরণ নির্ধারণ সম্ভব? না, নাটকের মতো, কবিতার মতো, সংগীতের মতো এর কোনো সুনির্দিষ্ট ব্যাকরণ নেই। আর এই ব্যাকরণহীনতার জন্যই উপন্যাসশিল্পের কোনো সূচনালগ্ন নেই; কোনো দেশ-কাল-সময়ের গণ্ডীর নিরিখ নেই। তাহলে প্রতিটি উপন্যাস কি একেকটি সয়ম্ভূ বিষয়, একেকটি স্বতন্ত্র শিল্প? এর কি সাধারণ বৈশিষ্ট্যসূচক কোনো পরিচয় নেই, যাতে পাঠক বলবে—এটি উপন্যাস? নিশ্চয়ই আছে এবং সেই পরিচয়সূত্র হলো গল্প, আখ্যান ও জনসম্পৃক্ততা। এই ত্রিবেণীসংগমের ভেতর দিয়ে রচিত হয় উপন্যাস। সুতরাং, উপন্যাসে নাটক থাকতে পারে, কবিতা থাকতে পারে, গান থাকতে পারে, এমনকি প্রবন্ধ থেকে শুরু করে ভ্রমণকাহিনিও থাকতে পারে, পারে জ্ঞান-বিজ্ঞানের হাজারটা বিষয় অন্তর্ভুক্ত হতে। আত্মস্থ করার এই বিপুল ক্ষমতার জন্যই এই শিল্পটি ব্যাকরণহীন, বিধিবিধানের ঊর্ধ্বে।

এই যদি হয় উপন্যাস, তাহলে কেন উপন্যাসকে আমরা বিজ্ঞানের সবচেয়ে কাছাকাছি শিল্প হিসেবে গণ্য করি? এই জিজ্ঞাসার উত্তর একটিই, তা হলো, জীবন ও জগতের ন্যায়সূত্র ধারণে উপন্যাসের মতো মহত্ব আর কোনো শিল্পের নেই। জীবন ও জগতের গভীরতর অধ্যায় ন্যায়-অন্যায়ের, আদর্শ-অনাদর্শের, সুন্দর-অসুন্দরের, উচিত-অনুচিতের যে অনন্য নিরপেক্ষতার পটভূমি লক্ষ করা যায়, উপন্যাস সেই জীবনের শিল্প। এই কনটেক্সট ধর্মের নয়, মতাদর্শের নয়, এমনকি আবেগেরও নয়—সমগ্র বিষয়টিই হলো জীবনের। উপন্যাসই একমাত্র শিল্প, যেখানে জীবন তার আপন স্বভাবে বিকশিত হওয়ার সুযোগ পায়। এই যে আপন স্বভাব—এর জন্যই উপন্যাস বিধানসংবদ্ধ নয়। প্রতিটি উপন্যাসই একটি স্বতন্ত্র স্বভাবে গড়ে ওঠে, একটি স্বতন্ত্র জগত্ ও জীবন সেখানে তার সকল সৌষ্ঠব নিয়ে তৈরি হয় অথবা বলা যায় তৈরি হয় না—জন্মে, বেড়ে ওঠে, বিকশিত হয়, বিপুলতা লাভ করে এবং সেই জীবন ও জগতের ভেতর উচ্চার্য-অনুচ্চার্য বহুতর জীবন ও জগতের আর্কিটাইপ রচিত হয়। আমাদের উপন্যাসশিল্পের পূর্বাপর যে ইতিহাসের সঙ্গে পরিচয় ঘটে, সেখানে উপন্যাসশিল্পের এই ন্যায়সূত্র কীভাবে কার্যকর হয়েছে, সেই বিশ্লেষণে না গিয়েও বলা যায়, জীবনের গূঢ়তর রহস্য ও সংঘাতময়তার ভেতর-গড়ন আমাদের উপন্যাসে কখনোই তাত্পর্যময় হয়ে ওঠেনি, জীবনের মহাকাব্যিক বিস্তার ও বিপুলতার সৌন্দর্য আমাদের উপন্যাসশিল্পে দৈবাত্ ধরা দিয়েছে। আর প্রত্যেক মানুষ যে একেকটি স্বতন্ত্র সত্তা—তার বাচনিকতা থেকে শুরু করে আচরণ ও ব্যবহারবিধির মধ্যে একটি স্বতন্ত্র স্বর, তথা একটি স্বতন্ত্র জীবন ও জগত্ রচিত হয়—সেই স্বাতন্ত্র্যকে স্পষ্ট করে তোলে তার স্বর। আর এসবের প্রায় ব্যাখ্যাতীত এক অন্বয়ের ভেতর দিয়ে রচিত হয় উপন্যাসশিল্প। শওকত আলী এই উপন্যাসশিল্পের শিল্পী। অসাধারণ এক মমত্ববোধের আশ্রয়ে তিনি উন্মোচন করতে চেয়েছেন মানবজীবনের বিচিত্র সম্পর্কের রহস্যময়তা, রক্তাক্ত যন্ত্রণা, মুক্তির আয়ূধ।

শওকত আলী মূলত স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশের কথাসাহিত্যিক। তবে তাঁর প্রথম উপন্যাস ‘পিঙ্গল আকাশ’ প্রকাশিত হয় ১৯৬৩ সালে এবং প্রথম গল্পগ্রন্থ ‘উন্মূল বাসনা’ প্রকাশিত হয় ১৯৬৮ সালে। এরপর তাঁর প্রচুর গল্প-উপন্যাস সবই স্বাধীনতা-উত্তর সময়ের সৃষ্টি। আর এই সুপ্রচুর কথাসাহিত্যের মধ্যে বিষয় ও ভাষা নির্বাচনের অনন্যতায় যে উপন্যাসটি পাঠকসমাজে বিপুল খ্যাতি লাভ করে, সেই ‘প্রদোষে প্রাকৃতজন’ শীর্ষক উপন্যাসটি প্রকাশিত হয় ১৯৮৪ সালে। এই উপন্যাসে তিনি বিশ শতকের প্রায় শেষপ্রান্তে দাঁড়িয়ে সুদূর পেছনপানে তাকিয়ে ইতিহাসের এক সন্ধিক্ষণের শিল্পভাষ্য রচনা করেছেন। লক্ষণ সেনের (আনুমানিক ১৯৭৮-১২০৬ খ্রি.) ২৮ বছরের রাজত্বকালের শেষ বছরগুলোতে তিনি বার্ধক্যে এবং ক্ষমতা প্রয়োগে খুবই দুর্বল হয়ে পড়েছিলেন। অনেক সময় শাসনকার্য পরিচালনা তাঁর জন্য কষ্টসাধ্য হয়ে উঠেছিল। এই দুর্বলতার সুযোগে সাম্রাজ্যের ভেতরে ঐক্য ও সংহতিতে ফাটল ধরে এবং কিছু স্বাধীন শক্তির উত্থান ঘটে। এ ছাড়া শক্তিমান ও ক্ষমতাধরদের অরাজকতা দেশময় ছড়িয়ে পড়ে। এ পরিস্থিতিতে তুরস্কের মুসলমান অভিযানকারী বখতিয়ার খলজি অনায়াসেই বাংলা দখল করে নেন। এই বিশৃঙ্খল পটভূমিতে গ্রামবাংলা কীভাবে অস্থির হয়ে উঠেছিল, ক্ষমতাধরদের তাণ্ডব ও লুটপাটে কীভাবে মানুষ গ্রামছাড়া হয়েছিল এবং এর মধ্যে কিছু নরনারী বিচিত্র সম্পর্কের টানাপোড়েনে কীভাবে রক্তাক্ত হয়ে উঠেছিল, সেসবের নানামাত্রিক বুনন-বিন্যাসে গড়ে উঠেছে ‘প্রদোষে প্রাকৃতজন’ উপন্যাসটি।

‘প্রদোষে প্রকৃতজন’ উপন্যাসের সবচেয়ে বড় শক্তি ও দৌর্বল্যের বিষয় হলো এর ভাষা। কবিভাষা বা ডিকশন বলে একটি ভাষা আছে, কবিতায় যার অধিষ্ঠান। প্রথাগত শব্দ কতটা তাত্পর্যময়, কতটা অফুরন্ত ব্যাখ্যার আধার হয়ে উঠতে পারে, তার পরিচয় আছে সফল কবিতায়। শওকত আলী কথাসাহিত্যিক। কিন্তু কবি না হয়ে কি কেউ কথাসাহিত্যিক হতে পারে—কোনো শিল্পী হতে পারে? পারে না। এই চিরায়ত সত্যের পরিচয় আছে ‘প্রদোষে প্রাকৃতজন’ উপন্যাসের প্রতিটি পদে, পদবন্ধনে। সাধু ভাষার শব্দভান্ডারকে বিস্ময়কর নৈপুণ্যে তিনি ব্যবহার করেছেন চলিত ভাষার গড়ন-সৌষ্ঠবে। সম্ভবত ষোড়শ শতকের ভাষিক জগতের ধ্রুপদি আবহের স্বাদ পাইয়ে দেওয়ার জন্য তিনি এই অসাধারণ ভাষাপ্রপঞ্চ বেছে নিয়েছেন। কমলকুমার মজুমদারের ভাষাব্যবহারের সঙ্গে আমাদের পরিচয় আছে, বাক্যগড়নের রীতির সঙ্গে পরিচয় আছে। সেখানে কাঠিন্য নির্ধারণই যেন কর্তব্য। কিন্তু সে অন্য অভিধা। শওকত আলী ভাষার মধ্যে পুরে দিতে চেয়েছেন জীবনের প্রতি তাঁর গভীর মমত্ববোধের আলো, আনন্দ আর অফুরন্ত প্রবাহ। বাক্যের গড়নসৌষ্ঠবের মধ্যেও তাঁর এই অফুরন্ত শক্তির পরিচয় মেলে। পথ চলতে চলতে ক্লান্ত, পরিশ্রান্ত শ্যামাঙ্গ সম্মুখে যে প্রহেলিকা দেখতে পায়, তার বর্ণনা দিতে গিয়ে শওকত আলী লিখেছেন, ‘সে বড় বিচিত্র অবস্থা। এখন স্মরণ হলে কৌতুক বোধ হয়। অবশ্য তখনও তার কৌতুক বোধ হচ্ছিল। কৌতুক বোধ হবারই কথা। কারণ প্রথমে তুমি দেখলে বংশবীথিকার বিনত শাখায় একটি বনকপোত। পরক্ষণে সেই ক্ষুদ্রাকার পাখিটি হয়ে গেলো একটি ঊর্ধ্বলম্ফী মর্কট— মুহূর্তেক পরে সেই মর্কটও আর থাকলো না, নিমেষে হয়ে গেলো একটি বিশুদ্ধ বৃক্ষশাখা। চক্ষু কচালিত করলে অতঃপর তুমি আর কিছুই দেখলে না। বংশবীথিকা না, বনকপোত না, মর্কট না—বিশুদ্ধ শাখাও না।’ এই রচনার মধ্যে প্রায় প্রতিটি শব্দই তত্সম। কিন্তু কোথাও দুর্বোধ্যতার লেশমাত্র নেই। অধিকন্তু এমন একটি সহজতা বিরাজমান, যা পাঠকের বোধের জগেক তৃপ্ত করে।

এই সহজ সৌন্দর্যকে গতি দান করেছে এর ছন্দ। অন্তঃসলিলা ফল্গুধারার মতো তাঁর গদ্যের ভেতর-গড়নের মধ্যে প্রবাহিত ছন্দ পাঠককে টানে, পাঠ শুরুর পর আর থামতে দেয় না, একটি আনন্দিত বিহারের মতো পাঠককে মুগ্ধ করে নিয়ে চলে। একটি উদাহরণ, ‘শুকদেবের গৃহ নীরব। বেলা দ্বিপ্রহর, কিন্তু জনমানব কোথাও আছে বলে মনে হলো না। সে [শ্যামাঙ্গ] ক্ষণেক স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে চারিদিকে দৃষ্টিপাত করে। তাতে বিচিত্র একটি ভাব তার উপলব্ধি হয়। মনে হয়, নীরব পল্লীটিতে বিষাদ এবং হতাশা পরিব্যপ্ত হয়ে রয়েছে। তার কাছে পরিবেশটি অদ্ভুত এবং দুর্বোধ্য লাগে। সে একটি রাখাল বালককে ডাকলো। বালকটি সংবাদ দিতেই শুকদেব বাইরে এলেন। ক্ষণেক পর দীনদাসকেও দেখা গেলো। যোগীটিকে দেখে দীনদাস বিরক্ত হয়েছেন বলে মনে হলো। বললেন, যোগী মহাশয় কি এই গ্রামেই অবস্থান করবেন।’

প্রথাগতভাবে তত্সম শব্দের বাক্য দীর্ঘ হয় এবং জটিলতার সৃষ্টি হয়। বক্তব্যকে মুখ্য ভাবার ফলেই এ ঘটনা ঘটে। কিন্তু ওপরে যে খণ্ডচিত্রটি উল্লেখ করা হয়েছে, তার ভাষা সম্পূর্ণই ভিন্ন। এখানে বাক্য ছোট ছোট এবং সে বাক্যের প্রতিটি শব্দই সুনির্বাচিত। বাক্যের গড়ন, অন্তর্বয়ন ও বক্তব্যের ধারাক্রম সহজ-সাবলীল ও অনিবার্য। ফলে কাব্যভাষার মাধুর্য ও আনন্দ সহজেই উপভোগ করা যায়।

শওকত আলী ভাষার ব্যবহারে বিষয়ভিন্নতার তাত্পর্যকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করেছেন। ফলে প্রণয়ের ভাষা আর অত্যাচারী রাজকর্মচারীদের ভাষণ ভিন্ন না হয়ে পারেনি। প্রণয়ের ভাষাকে তিনি বিচিত্র রাগ-অনুরাগের ব্যবহারে প্রণয়কাতর ও কামনাস্নিগ্ধ করে তুলেছেন। সেই ভাষার একদিকে আছে অসাধারণ সংযম ও পরিমিতিবোধ এবং অন্যদিকে আছে রোমান্টিকতা, কামনায় আরক্ত মানব-মানবীর দেহ-মনের উষ্ণতার উত্তাপ। মানব-মানবীর আত্মমর্যাদার বিষয়ে শওকত আলীর সংবেদনা শ্রদ্ধার্হ। ভালোবাসার পাত্রপাত্রী নিজেদের নিঃশর্ত সমর্পণের সময়েও সহজাত মর্যাদাবোধে সমুজ্জ্বল। শওকত আলী তাঁর অসাধারণ ভাষাশক্তির সৌন্দর্যে সেই মর্যাদাকর সম্পর্কের জগত্ নির্মাণ করেছেন। প্রাচীন ভারতীয় ঋষিদের পাণ্ডিত্যের মতোই তাঁর শব্দভান্ডারের জগত্। এই বিপুল ঐশ্বর্যকে তিনি বিস্ময়কর মমত্ববোধ আর প্রগাঢ় নিষ্ঠার সঙ্গে ব্যবহার করেছেন। প্রাচীন বাংলার বিচিত্র জনপদ, নদ-নদী, গ্রাম, শহর, তাঁর এই অসাধারণ সৃজনশীলতায় প্রাণময় হয়ে উঠেছে। এ ক্ষেত্রে ভাষার শক্তি, সামর্থ্য ও উত্পাদনশীলতাকে তিনি সাফল্যের সঙ্গে ব্যবহার করতে সক্ষম হয়েছেন।

শওকত আলীর ‘প্রদোষে প্রাকৃতজন’ উপন্যাসে ভাষা ব্যবহারের এই বৈচিত্র্যময় সাফল্যের একটি উল্টো পিঠ আছে, যেখানে চরিত্রগুলোর নিজস্ব কোনো ভাষা নেই। সব চরিত্রই কথা বলে লেখকের ভাষায়। ফলে একটি চরিত্রের হয়ে ওঠা—কথাসাহিত্যের এই মূলগত প্রত্যয় রক্ষিত হয়নি।

এখন বলা হয়, পৃথিবীতে যতজন মানুষ কথা বলে, ভাষার সংখ্যাও ঠিক তত। এই সংজ্ঞার অর্থ কী? এর ভেতর দিয়ে মানবীয় ভাষার কোন তাত্পর্যের প্রতি নির্দেশ করা হয়েছে? আসলে এ হচ্ছে স্বাতন্ত্র্যের চিহ্নবিশেষ। প্রতিটি মানুষই আলাদা—যেমন দেহ ও মনোগড়নে, তেমনি ভাষার ব্যবহারে। ব্যক্তির জীবনবোধ, বিশ্বাস, চিন্তাচেতনা—এককথায় ব্যক্তি-মানুষটির স্বাতন্ত্র্যের প্রায় সমগ্র স্বরূপ চিহ্নিত হয় তার ভাষা ব্যবহারের মধ্যে।


About The Author

admin

সংবাদের ব্যাপারে আমরা সত্য ও বস্তুনিষ্ঠতায় বিশ্বাস করি।বিশ্বাস করি, মুক্তিযুদ্ধের সুমহান চেতনায়। আমাদের প্রত্যাশা একাত্তরের চেতনায় বাংলাদেশ এগিয়ে যাক সুখী সমৃদ্ধশালী উন্নত দেশের পর্যায়ে।

Number of Entries : 7587

Leave a Comment

সম্পাদক : সুজন হালদার, প্রকাশক শিহাব বাহাদুর কতৃক ৭৪ কনকর্ড এম্পোরিয়াম শপিং কমপ্লেক্স, ২৫৩-২৫৪ এলিফ্যান্ট রোড, কাঁটাবন, ঢাকা থেকে প্রকাশিত। ফোনঃ 02-9669617 e-mail: info@visionnews24.com
Design & Developed by Dhaka CenterNIC IT Limited
Scroll to top