The news is by your side.

মার্কিন পার্লামেন্ট ভবনে ট্রাম্প সমর্থকদের হামলায় বিশ্বনেতাদের নিন্দা

0 37

 

যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস ভবন ক্যাপিটলে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উগ্রবাদী সমর্থকদের হামলার ঘটনায় বিশ্বজুড়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। তীব্র নিন্দা জানিয়ে বিশ্বনেতারা বলেছেন, সারা বিশ্বে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার বুলি আওড়ানো ট্রাম্প নিজ দেশের গণতন্ত্রকেই ধুলায় মিশিয়েছেন। খবর বিবিসি ও দ্য গার্ডিয়ানের।

বুধবার ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থকদের মারমুখী বিক্ষোভের মুখে রণক্ষেত্রে পরিণত হয় ওয়াশিংটনে আমেরিকার আইনসভা কংগ্রেসের ভবন ক্যাপিটল ভবন। ওই ভবনে সেসময় কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে সদ্য অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জো বাইডেনের জয়ের স্বীকৃতির আনুষ্ঠানিকতা চলছিল।

কংগ্রেস ভবন ক্যাপিটলে ট্রাম্প-সমর্থকদের চালানো তাণ্ডবকে ‘ভয়াবহ’ ও ‘গণতন্ত্রের ওপর আঘাত’ বলেও আখ্যায়িত করেছেন অনেক নেতা। তাঁরা শান্তিপূর্ণ ও নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে বাইডেনের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করার জন্য ট্রাম্পের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন এক টুইটে বলেন, মার্কিন কংগ্রেসে লজ্জাজনক দৃশ্য। যুক্তরাষ্ট্র গণতন্ত্রের জন্য পুরো বিশ্বের উদাহরণ। তারা গণতন্ত্রের জন্যে পুরো বিশ্ব দৌড়ে বেড়ায়, কিন্তু ক্ষমতা হস্তান্তরের আগে এরকম একটি পরিস্থিতি সত্যি অগ্রণযোগ্য। নিয়ম অনুযায়ী ও শান্তি অব্যাহত রেখে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার প্রয়োজন।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর মতোই যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য মিত্র রাষ্ট্রের নেতারা একই রকম বক্তব্য দিয়েছেন। তাদের কেও কেও ট্রাম্প্বের কড়া সমালোচনা করেছেন।

জার্মানীর পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেইকো মাস এক টুইটে বলেন, মার্কিন নাগরিকরা প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে যে ভোট প্রধান করেছে তা ট্রাম্প ও বটার সমর্থকদের মেনে নেয়ই এবং গণতন্ত্রকে কলুষিত না করে শান্তিপূর্ণভাবে সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা উচিৎ।

এক বিবৃতিতে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডাব্লিউ বুশ বলেছেন, এটি পুরোপুরি অসুস্থ ও হৃদয়বিদারক দৃশ্য। রাজনৈতিকভাবে অস্থিতিশীল কোনো দেশে এ ধরনের ঘটনার মাধ্যমে নির্বাচনের ফলকে বিতর্কিত করা হয়- আমাদের গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রে এর কোনো স্থান নেই।

এক বিবৃতিতে সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা বলেন, ইতিহাস সঠিকভাবেই ক্যাপিটলের ওপর এ হামলার ঘটনা মনে রাখবে; আর সেটি হচ্ছে– এ মুহূর্তটি প্রচণ্ড অসম্মান এবং এই জাতির জন্য লজ্জাজনক।

কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো বলেন, গণতন্ত্রের ওপর এই আঘাতের ঘটনায় কানাডিয়ানরা প্রচণ্ড বিরক্ত।

আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট আলবার্তো ফার্নান্দেজ জো বাইডেনের প্রতি সমর্থন প্রকাশ করেছেন এবং সহিংসতার ঘটনার প্রতি নিন্দা জানিয়েছেন।

একইভাবে কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট ইভান দোকে সহিংসতাকে প্রত্যাহার করে কংগ্রেসের সদস্যদের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। চিলির প্রেসিডেন্ট সেবাস্টিয়ান পিনেরা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করার পদক্ষেপের নিন্দা জানিয়েছেন।

সহিংসতার পরও সিনেটে অধিবেশন শুরু হওয়ার পর ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাপিটালে আজকের দিনটি একটি কালো দিন হিসেবে উল্লেখ থাকবে।

Leave A Reply

Your email address will not be published.