বাক স্বাধীনতা রুদ্ধ করে গণতন্ত্র চর্চা সম্ভব নয়: ইফতেখারুজ্জামান Reviewed by Momizat on . ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেছেন, সত্যিকার অর্থে বাক স্বাধীনতা রুদ্ধ করে গণতান্ত্রিক চর্চা সম্ভব নয়। ব ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেছেন, সত্যিকার অর্থে বাক স্বাধীনতা রুদ্ধ করে গণতান্ত্রিক চর্চা সম্ভব নয়। ব Rating: 0
You Are Here: Home » রাজধানী » বাক স্বাধীনতা রুদ্ধ করে গণতন্ত্র চর্চা সম্ভব নয়: ইফতেখারুজ্জামান

বাক স্বাধীনতা রুদ্ধ করে গণতন্ত্র চর্চা সম্ভব নয়: ইফতেখারুজ্জামান

Iftekhar_visi

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেছেন, সত্যিকার অর্থে বাক স্বাধীনতা রুদ্ধ করে গণতান্ত্রিক চর্চা সম্ভব নয়। বাক স্বাধীনতা যে দেশে রুদ্ধ হয় সে দেশে সবই বুমেরাং হয়। বুমেরাং হয় এই অর্থে যে, যারা রুদ্ধ করে প্রকারান্তরে দীর্ঘ মেয়াদে তাদেরকেই এর ভুক্তভোগী হতে হয় এবং এর জন্য মাশুল দিতে হয়।

আন্তর্জাতিক তথ্য জানার অধিকার দিবস উপলক্ষে ‘তথ্যের অধিকার, তথ্যই শক্তি; সুশাসনের হাতিয়ার, দুর্নীতি থেকে মুক্তি’ স্লোগানকে প্রতিপাদ্য করে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধন থেকে বিশ্বব্যাপী উদ্যাপিত দিবসটিকে সরকারিভাবে স্বীকৃতি ও জাতীয়ভাবে উদ্যাপনের আহ্বান জানানো হয়।

ইফতেখারুজ্জামান বলেন, নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার বাস্তবায়নের জন্যই এ আইন। সরকারকে মনে রাখতে হবে যেন তা করতে গিয়ে নাগরিকের মত প্রকাশের স্বাধীনতা খর্ব না হয়। সাম্প্রতিককালে বহুল ব্যবহৃত তথ্য যোগাযোগ ও প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারার অপপ্রয়োগ দেখতে পাই। যার কারণে অনেক গণমাধ্যমকর্মীসহ যারা মত প্রকাশের স্বাধীনতার চর্চা করে তাদের অনেক ঝুঁকির সম্মুখীন হতে হচ্ছে।

তিনি বলেন, বিভিন্ন দেশেই বেশকিছু সংগঠনকে তথ্য অধিকার আইনের আওতার বাইরে রাখা হয়, জাতীয় নিরাপত্তার বিবেচনায়। আমাদের দেশেও এ তালিকাটি দীর্ঘ। কিন্তু আমরা সৌভাগ্যবান, যে ধারার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানসমূহকে বাইরে রাখা হয়েছে সেই ধারার মধ্যেই আছে যে, দুর্নীতি বা মানবাধিকারের সাথে জড়িত কোন তথ্য প্রদানে সংগঠনগুলো বাধ্য থাকিবে।

তিনি আরও বলেন, কিছু প্রতিকূলতা থাকা সত্ত্বেও যারা মানবাধিকার নিয়ে কাজ করে তাদের জন্য তথ্য অধিকার আইন একটি বড় হাতিয়ার। বিশেষ করে বেসরকারি সংস্থাগুলো যারা সাধারণ মানুষকে সচেতন করে, সাংবিধানিক অধিকার হাতে পাওয়ার পথ দেখান। তথ্য দেওয়ার কারণে শুধু সাধারণ নাগরিকই নন গণমাধ্যম ও বেসরকারি সংস্থাগুলোর কর্মীদেরকেও অনেক ঝুঁকির সম্মুখীন হতে হয়। এই বিষয়গুলো আমাদের উদ্বিগ্ন করে কিন্তু তথ্য কমিশনের তৎপরতায় অনেক সময় প্রতিকার পাওয়া যায়।

তথ্য অধিকার আইনের ফলে তথ্য জানার ক্ষেত্রে অগ্রগতি হয়েছে উল্লেখ করে টিআইবি পরিচালক বলেন, তথ্য অধিকার আইন থাকার কারণে মানুষ এখন অনেককিছু জানতে পারছে। একটি গোপনীয়তার সংস্কৃতি যেটা ব্রিটিশ আমল থেকে আমাদের এখানে ছিল সেটা থেকে বের হয়ে একেবারে স্বচ্ছতার সংস্কৃতি এ কয় বছরে চলে আসবে তা চিন্তা করা কঠিন। এই জন্য দরকার তথ্য গ্রহণকারী ও প্রদানকারীর মানসিকতার পরিবর্তন। তথ্য পাওয়া যে সবার অধিকার সেটা জানা এবং কেউ জানতে চাইলে তথ্য দিয়ে দেওয়া এই মানসিকতা গড়া।

About The Author

admin

সংবাদের ব্যাপারে আমরা সত্য ও বস্তুনিষ্ঠতায় বিশ্বাস করি।বিশ্বাস করি, মুক্তিযুদ্ধের সুমহান চেতনায়। আমাদের প্রত্যাশা একাত্তরের চেতনায় বাংলাদেশ এগিয়ে যাক সুখী সমৃদ্ধশালী উন্নত দেশের পর্যায়ে।

Number of Entries : 7902

Leave a Comment

সম্পাদক : সুজন হালদার, প্রকাশক শিহাব বাহাদুর কতৃক ৭৪ কনকর্ড এম্পোরিয়াম শপিং কমপ্লেক্স, ২৫৩-২৫৪ এলিফ্যান্ট রোড, কাঁটাবন, ঢাকা থেকে প্রকাশিত। ফোনঃ 02-9669617 e-mail: info@visionnews24.com
Design & Developed by Dhaka CenterNIC IT Limited
Scroll to top