The news is by your side.

বঙ্গবন্ধুর আদর্শ মেনে  সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করতে হবে: শেখ হাসিনা

0 220

 

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ মেনেই সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করে গড়ে তুলতে হবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।

আওয়ামী লীগের ২১তম জাতীয় কাউন্সিলের দ্বিতীয় অধিবেশনে এ কথা বলেন তিনি।

শনিবার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশন মিলনায়তনে সকাল সাড়ে ১০টায় কাউন্সিল অধিবেশনে আসেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।

সূচনা বক্তব্যে শেখ হাসিনা বাঙালি মুক্তির প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে আওয়ামী লীগের ভূমিকার কথা তুলে ধরে বলেন, এ দলের নেতৃত্বে বাংলাদেশ অনেক উন্নতি করেছে, এগিয়ে নিতে হবে অনেক দূর। তাই সংগঠনকে শক্তিশালী করার নির্দেশ দেন তিনি।

তিনি বলেন, জাতির পিতার স্বপ্ন পূরণই তার রাজনীতি। দলকে শক্তিশালী করে গড়ে তোলার পাশাপাশি মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জনে কাজ করতে হবে।

আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, দশ বছরে বাংলাদেশে অনেক এগিয়েছে।আমাদের আরও অনেক দূর যেতে হবে। সেক্ষেত্রে আমি বলব, সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করতে হবে, মানুষের আস্থা বিশ্বাস অর্জন করতে হবে।

তিনি বলেন, আমাদের সেভাবে কাজ করতে হবে, মানুষ যেন স্বতঃস্ফূর্তভাবে আমাদের ভোট দিয়ে বিজয়ী করে। আমরা যারা জনগণের সেবা করতে পারি। নেতা-কর্মীদের শেখ হাসিনা আরও বলেন, কি পেলাম না পেলাম সে চিন্তা না করে মানুষের কল্যাণে কাজ করতে হবে।

সংগঠনকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি সবাইকে জাতির পিতার আদর্শ মেনে চলার আহ্বান জানান ১৯৮১ সাল থেকে টানা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্বপালনকারী শেখ হাসিনা

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও টানা তিন বার মিলিয়ে চার বারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, স্বভাবতই ক্ষমতায় থাকলে জনপ্রিয়তা ধরে রাখা যায় না কিন্তু আমরা সেটা করতে পেরেছি। আমরা মানুষের আস্থা বিশ্বাস অর্জন করেছি, তা ধরে রাখতে হবে।

তিনি বলেন, ৮১ সালে দায়িত্ব দিয়েছিলেন। পরিবারের সবাইকে হারিয়ে সেই দায়িত্ব পালনে চেষ্টা করেছি। আওয়ামী লীগ কখনও কারো সামনে মাথা নত করেনি। দীর্ঘ পথ পরিক্রমায় মানুষের আস্থা অর্জন করেছি। সবাইকে মনে রাখতে হবে মানুষ যেন স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করে।’

আওয়ামী লীগের দফতর সূত্র জানায়, সারা দেশ থেকে আসা দলের সাত হাজার ৭৩৭ কাউন্সিলর এ অধিবেশনে উপস্থিত রয়েছেন, যেখানে কাউন্সিলররা নতুন নেতৃত্ব নিয়ে কথা বলার সুযোগ পাবেন।

আজকের কাউন্সিল অধিবেশনে নির্বাচন পরিচালনার জন্য ইতিমধ্যে তিন সদস্যের কমিশন গঠন করা হয়েছে। কমিশনের চেয়ারম্যানের দায়িত্বে আছেন দলের উপদেষ্টা কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন।

অপর দুই সদস্য হলেন- উপদেষ্টা ড. সাইদুর রহমান ও ড. মসিউর রহমান।

অধিবেশনে ৭৮টি সাংগঠনিক জেলার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক তাদের সাংগঠনিক প্রতিবেদন পেশ করবেন। এরপর দলের সংশোধিত ঘোষণাপত্র ও গঠনতন্ত্র অনুমোদন করা হবে।

এসব কার্যক্রম শেষে বর্তমান কেন্দ্রীয় কমিটি বিলুপ্ত করে দেয়া হবে। এরপর শুরু হবে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচন প্রক্রিয়া।

দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নাম প্রস্তাব ও সমর্থন করবেন। পরে কাউন্সিলরদের কণ্ঠভোটে তা পাস হলে আগামী তিন বছরের জন্য নতুন নেতৃত্ব পাবে আওয়ামী লীগ।

এরপর রীতি অনুযায়ী কাউন্সিল অধিবেশনেই প্রেসিডিয়াম সদস্য, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকসহ গুরুত্বপূর্ণ বেশ কয়েকটি পদে নির্বাচিত নেতাদের নাম ঘোষণা করবেন নবনির্বাচিত সভাপতি।

পরবর্তীতে পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়। তবে আওয়ামী লীগের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আজই কেন্দ্রীয় কমিটির অধিকাংশ পদে নির্বাচিত নেতাদের নাম ঘোষণা করার সম্ভাবনা রয়েছে।

Leave A Reply

Your email address will not be published.