The news is by your side.

জয়ের জন্য ২৯৫ রানের লক্ষ্য পেলো বাংলাদেশ

0 35

 

টস জিতে ব্যাট করা শ্রীলংকাকে তিনশ’ রানের আগে আটকাতে পারা স্বস্তির মনে হতে পারে। কিন্তু কলম্বোর প্রেমাদাসার উইকেট শুরুর মতো নেই। উইকেট স্লো হয়েছে। এখানে ২৭০ রানই জয় পাওয়ার মতো। শ্রীলংকাও সেই লক্ষ্য ধরেই শুরু করে। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ সময়ে দুটি ব্রেক থ্রু দিয়েও লংকানদের রান চাকা থামাতে পারেনি বাংলাদেশ। স্বাগতিকরা ৮ উইকেট হারিয়ে তুলেছে ২৯৪ রান। এখন তামিম-সৌম্যরা পাল্টা দিতে পারেন কি-না সেটাই দেখার পালা।

শুরুতে উইকেট হারানোর পর দ্বিতীয় জুটিতে দলকে ভালো ভিত এনে দেন দিমুখ করুনারত্নে ও কুসল পেরেরা। এই দুজন অল্প সময়ের মধ্যে ফেরার পর হাল ধরেন অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস ও কুসল মেন্ডিস। দলকে এগিয়ে নেন বড় স্কোরের পথে। ম্যাথিউজ করেন সর্বোচ্চ ৮৭ রান। কুশল মেন্ডিস আউট হন ৫৪ রান করে। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ২৯৪ রান সংগ্রহ করে স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা।শেষ দিকে দ্রুত রান তোলেন শানাকা ও জয়াসুরিয়া।

টস জিতে ব্যাট করতে নামা শ্রীলঙ্কাকে শুরুতেই একটা ধাক্কা দিতে পেরেছিলেন পেসার শফিউল ইসলাম। দলীয় ১৩ রানের মাথায় আভিসকা ফার্নান্দোকে ফিরিয়ে দিয়ে বাংলাদেশকে দারুণ একটা ব্রেক থ্রু এনে দিতে সক্ষম হন শফিউল।

কিন্তু ১৩ রানে প্রথম উইকেট পড়ার পর সতর্ক শ্রীলঙ্কা ঘুরে দাঁড়ায় ধীরে ধীরে। অধিনায়ক দিমুথ করুনারত্নে এবং নির্ভরযোগ্য ব্যাটসম্যান কুশল পেরেরার ব্যাটে ভর করে বাংলাদেশের সামনে ইনিংসটাকে বড় করতে শুরু করে শ্রীলঙ্কা।

এক এক করে ৮৩ রানের জুটি গড়ে ফেলেন এই দুই ব্যাটসম্যান। রুবেল, তাইজুল, মিরাজ, সৌম্য কিংবা মাহমুদউল্লাহ- কেউই পারছিলেন না এই জুটি ভাঙতে।

অবশেষে সফল হলেন তাইজুল ইসলাম। তার করা ২১তম ওভারের দ্বিতীয় বলে খেলতে গিয়ে ব্যাটের কানায় লাগিয়ে উইকেটরক্ষক মুশফিকুর রহীমের হাতে ক্যাচ দেন দিমুথ করুনারত্নে। ৬০ বলে ৪৬ রান করে কট বিহাইন্ড হয়ে ফিরে যান করুনারত্নে। ৬টি বাউন্ডারির মার মারেন তিনি।

দলীয় ৯৬ রানে দ্বিতীয় উইকেট পড়ার পর কেন যেন নিঃসঙ্গ হয়ে যান কুশল পেরেরা। হয়তো বা এ কারণেই পরের ওভারে রুবেলের বলেই একইভাবে উইকেট দেন কুশল পেরেরা। ২২তম ওভারের দ্বিতীয় বলে ব্যাটের কানায় লাগিয়ে উইকেটের পেছনে মুশফিকের হাতে ক্যাচ দেন পেরেরা। ৫১ বলে এ সময় ৪২ রান নিয়ে ব্যাট করছিলেন তিনি। দলীয় রান ৯৮। অর্থ্যাৎ ১ উইকেটে ৯৬ থেকে শ্রীলঙ্কা ৯৮ পরিণত হয় ৩ উইকেটে।

৯৬ রানের মাথায় শ্রীলঙ্কাকে চেপে ধরার সুযোগ পেলেও সেটা কাজে লাগাতে পারেননি বাংলাদেশের বোলাররা। কারণ, কুশলি মেন্ডিস আর অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউজ দাঁড়িয়ে যান পাহাড় সমান দৃঢ়তা নিয়ে। দু’জন মিলে গড়ে তোলেন ১০১ রানের বিশাল একটি জুটি।

দলীয় ১৯৯ রানের মাথায় আউট হন কুশল মেন্ডিস। ৫৮ বলে ৫ বাউন্ডারি আর ১ ছক্কায় ৫৪ রান করেন তিনি। এরপর দাসুন সানাকাকে নিয়ে আরও একটি মাঝারিমানের জুটি গড়ে তোলেন ম্যাথিউজ। ১৪ বলে ঝড়ো ব্যাটিং করে ৩০ রানে আউট হন সানাকা। সেনান জয়সুরিয়াও মাঠে নেমে ঝড় তোলার চেষ্টা করেছিলেন। ৭ বলে তিনি করেন ১৩ রান।

শেষ দিকে আকিলা ধনঞ্জয়া আউট হয়ে গেলেও ওয়ানিদু হাসারাঙ্গা ৫ বলে করে দিয়ে যান ১২ রান। তিনি ছিলেন অপরাজিত। বাংলাদেশের হয়ে শফিউল ইসলাম এবং সৌম্য সরকার নেন ৩টি করে উইকেট। ১টি করে উইকেট নেন রুবেল হোসেন এবং তাইজুল ইসলাম।

 

Leave A Reply

Your email address will not be published.