The news is by your side.

জয়া আহসান ভূত, আবার পরীও!

0 27

 

 

বোলপুর থেকে ৩২ কিলোমিটার দূরের একটি গ্রাম কালিকাপুর। গ্রামের মধ্যে বিশাল বাড়ি। সাড়ে তিন শ বছর আগে জমিদার পরমানন্দ রায় বাড়িটি তৈরি করেন। জমিদারবাড়ির সেই জৌলুশ আর নেই। চুন–সুরকি খসে পড়েছে। উঁকি মারছে ইট–কাঠ–পাথর। এই বাড়িতেই ‘ভূত পরী’ ছবির শুটিং হচ্ছে। জয়া আহসান জানান, এর আগে বোলপুর চার–পাঁচবার এসেছেন। কিন্তু এবারই প্রথম সেখানে তিনি শুটিং করছেন।

‘ভূত পরী’ ছবিতে জয়া আহসান ভূত, আবার পরীও। তাঁর চরিত্রের নাম বনলতা। জয়া আহসান ভূত বিশ্বাস করেন? বললেন, ‘আলোয় যেমন জীবজন্তু, মানুষ, গাছপালা থাকে; তেমনি অন্ধকারেও এমন কিছু থাকে, যারা কাউকে বিরক্ত করে না। মানুষের সঙ্গে সহাবস্থান করে। এটা বিশ্বাস করতে কোনো অসুবিধা নেই।’ আর ভয় নিয়ে বললেন, ‘ভয় ব্যাপারটা কেটে গেছে। আগে সাপখোপে ভয় পেতাম, এখন তা–ও পাই না।’

একটি মেয়ে মারা গেছে ১৯৪৭ সালে। ঘটনা তখনই শেষ। এবার গল্পের শুরু ২০১৯ সালে। একটি শিশু বেড়াতে গেছে মামাবাড়িতে। ছেলেটি প্রতিদিন অদ্ভুত অদ্ভুত স্বপ্ন দেখে। সে সারা বাড়ি ঘুরে বেড়ায়। নানা কিছু নিয়ে তার যত কৌতূহল। ঘুরতে ঘুরতে সে এই বাড়িতে একটি ‘মেয়ে ভূত’ আবিষ্কার করে। সে ভূতকে দেখতে পায়। তাদের আলাপ হয়। এই ভূতের সঙ্গে শিশুটির বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। সে এই ভূতের নাম দেয় ‘ভূত পরী’। শিশুটির সামনে চলে আসে ৭২ বছর আগের ঘটনা। জানা যায়, মেয়েটির মৃত্যু স্বাভাবিক ছিল না। তাকে হত্যা করা হয়। এরপর সে ভূত হয়ে গেছে। এবার নিজের হত্যাকারীকে শাস্তি দিতে চায় সে। এই শিশুর সাহায্যে সেই হত্যাকারীকে সামনে নিয়ে আসে।

পরিচালক সৌকর্য ঘোষাল বললেন, ‘ভূতের সীমাবদ্ধতা আছে। সে কোনো কিছু ধরতে পারে না। তাই তার অন্যের সাহায্য প্রয়োজন। আবার মানুষের মতোই তার রাগ হয়, হিংসা হয়, অভিমান হয়।’

এমনই গল্প নিয়ে সৌকর্য ঘোষাল তৈরি করছেন নতুন ছবি। নাম ‘ভূত পরী’। ছবিতে শিশুর চরিত্রে অভিনয় করেছেন বিশান্তক মুখোপাধ্যায়। ছবিতে আরও আছেন ঋত্বিক চক্রবর্তী, সুদীপ্তা চক্রবর্তী, শান্তিলাল মুখোপাধ্যায় প্রমুখ। ছবির শুটিং হবে বর্ধমানের একটি গ্রামে। ছবির সিনেমাটোগ্রাফি করছেন আলোক মাইতি এবং সংগীত পরিচালক নবারুণ বসু।

জয়া আহসান বলেন, ‘এই পরিচালক খুব ভালো দুটো সিনেমা বানিয়েছেন। নেটফ্লিক্সে ছবি দুটো আছে। পরিচালক ও প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান সুরিন্দর ফিল্মসের সঙ্গে এটি আমার প্রথম কাজ। এই ছবির গল্প খুব ভালো। পরিচালক খুব সৎ; কী চান, সেটা পরিষ্কার। সৃজিত মুখোপাধ্যায়, অতনু ঘোষ, ইন্দ্রনীল রায় চৌধুরীসহ যাঁদের সঙ্গে কাজ করেছি, তাঁদের তুলনায় সৌকর্য নতুন পরিচালক হলেও মাথা খুব পরিষ্কার। যা বানাতে চান, সেটাই বানান। এ ধরনের গল্পে আমার কাজ করা হয়নি। চরিত্রটাও একেবারে নতুন।’

 

 

 

Leave A Reply

Your email address will not be published.