কোটা সংস্কার আন্দোলনের ৩ নেতাকে ডিবি কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদ Reviewed by Momizat on .   সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন করা সংগঠনের তিন নেতাকে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর তাদের ছেড়ে দিয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ। কোটা সংস্কার আন্দোলনে নেতৃ   সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন করা সংগঠনের তিন নেতাকে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর তাদের ছেড়ে দিয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ। কোটা সংস্কার আন্দোলনে নেতৃ Rating: 0
You Are Here: Home » slider » কোটা সংস্কার আন্দোলনের ৩ নেতাকে ডিবি কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদ

কোটা সংস্কার আন্দোলনের ৩ নেতাকে ডিবি কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদ

nur_la-5ad47f742fbac

 

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন করা সংগঠনের তিন নেতাকে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর তাদের ছেড়ে দিয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ।

কোটা সংস্কার আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া সংগঠন বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক তারা। এই তিন নেতা হলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের নুরুল্লাহ নূর, এমবিএ’র রাশেদ খান এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের ফারুক হোসেন।

সোমবার দুপুরে তাদের ডিবি কার্যালয়ে ডেকে নেওয়া হয়। প্রায় দুই ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করার পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার দেবদাস ভট্টাচার্য বলেন, তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে কার্যালয়ে নিয়ে আসা হয়েছিল। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

এর আগে সোমবার সকাল ১১টার দিকে ঢাবি’র কেন্দ্রীয় লাইব্রেবির সামনে এক সংবাদ সম্মেলন করেন বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের এই তিন নেতা।

ওই সংবাদ সম্মেলনের পরপরই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা থেকে পরিষদের তিন যুগ্ম আহবায়ক নূরুল হক নূর, ফারুক হাসান, মুহম্মদ রাশেদ খানকে ডিবি পুলিশ ধরে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করেন আহ্বায়ক হাসান আল মামুন।

ডিবি অফিস ঘুরে এসে দুপুরের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগারের সামনে আবার সংবাদ সম্মেলন করে ঘটনার বর্ণনা দেন আন্দোলনের নেতারা।

সেখানে জানানো হয়, বেলা ১টা ২৫ মিনিটে ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের তিন যুগ্ম আহ্বায়ককে ঢাকা মেডিকেলের জরুরি বিভাগের সামনে থেকে ‘ধরে নিয়ে যায়’ ডিবি পুলিশ।

যুগ্ম আহবায়ক নুরুল হক নূর বলেন, “আমরা মেডিকেলে ভর্তি শিক্ষার্থীদের দেখে যাওয়ার সময় জরুরি বিভাগের সামনে থেকে ৩/৪টি মোটর সাইকেল এবং দুটো কালো কাচওয়ালা মাইক্রোবাস সেখানে আসে। রিকশা থামিয়ে টানা-হেঁচড়া করে তারা আমাদের মাইক্রোবাসে তুলে ফেলে।”

নূর বলছেন, মাইক্রোবাসে তোলার পর প্রথমে তাদের হেলমেট পরিয়ে দেওয়া হয়। গুলিস্তান এলাকায় নিয়ে ‘গামছা দিয়ে চোখ বেঁধে’ ফেলা হয়। গাড়ি থেকে নামিয়ে চোখ খোলার পর তারা বুঝতে পারেন, তারা আছেন ডিবি কার্যালয়ে।

“পুলিশ আমাদের বলেছে, কিছু ভিডিও ফুটেজ দেখানোর জন্য তারা আমাদের তুলে নিয়েছে। পরে তারা আমাদের কিছুই দেখায়নি। নাম জিজ্ঞেস করে, দরকার হলে পরে ডাকা হবে বলে ছেড়ে দিয়েছে।”

ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের আরেক যুগ্ম আহবায়ক মুহম্মদ রাশেদ খান বলেন, “আমার বাবাকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। ঝিনাইদহ সদর থানায় আমার বাবাকে আটকে রাখা হয়েছে। আমার দিনমজুর বাবাকে থানায় আটকে রেখে বিশ্রী ভাষায় গালাগাল করা হচ্ছে। আমার শিবির সংশ্লিষ্টতা প্রমাণের জন্য তাকে চাপ দেওয়া হচ্ছে।”

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাংকিং অ্যান্ড ইন্সুরেন্স বিভাগের এই শিক্ষার্থী বলেন, “আমার পদ-পদবি নেই, তাই বলে কি আমি ন্যায়ের পক্ষে কথা বলতে পারব না? আমার বাবার কি অপরাধ ছিল?”

সাংবাদিকদের প্রশ্নে রাশেদ জানান, তার বাবার নাম মোহাম্মদ সবাই বিশ্বাস।

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি এমদাদুল হক শেখ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, ইত্তেফাকে আজ একটা খবর এসেছে যে ঢাকার কোটা আন্দোলনের নেতা রাশেদ শিবিরের সক্রিয় কর্মী। এ বিষয়ে তার বাবাকে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।”

সরকারি চাকরিতে কোটার পরিমাণ ৫৬ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশে নামিয়ে আনার দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রত্যাশীদের সঙ্গে গত ৮ এপ্রিল রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ব্যাপক সংঘর্ষ হয় পুলিশ ও ছাত্রলীগের।

 

About The Author

admin

সংবাদের ব্যাপারে আমরা সত্য ও বস্তুনিষ্ঠতায় বিশ্বাস করি।বিশ্বাস করি, মুক্তিযুদ্ধের সুমহান চেতনায়। আমাদের প্রত্যাশা একাত্তরের চেতনায় বাংলাদেশ এগিয়ে যাক সুখী সমৃদ্ধশালী উন্নত দেশের পর্যায়ে।

Number of Entries : 7849

Leave a Comment

সম্পাদক : সুজন হালদার, প্রকাশক শিহাব বাহাদুর কতৃক ৭৪ কনকর্ড এম্পোরিয়াম শপিং কমপ্লেক্স, ২৫৩-২৫৪ এলিফ্যান্ট রোড, কাঁটাবন, ঢাকা থেকে প্রকাশিত। ফোনঃ 02-9669617 e-mail: info@visionnews24.com
Design & Developed by Dhaka CenterNIC IT Limited
Scroll to top