The news is by your side.

করোনা ভ্যাকসিন দিতে রাজধানীতে হবে ৩০০ কেন্দ্র: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

0 57

 

রাজধানীতে করোনাভাইরাসের টিকা দিতে ৩০০টি কেন্দ্র করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

সোমবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির উদ্যোগে আয়োজিত ‘মিট দ্য রিপোর্টার্স’ অনুষ্ঠানে তিনি এ তথ্য জানান।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আশা করছি আগামী ২৫-২৬ জানুয়ারির মধ্যে ভারত থেকে ভ্যাকসিনের প্রথম লট চলে আসবে। আর এ টিকা দিতে রাজধানী ঢাকায় ৩০০টি কেন্দ্র করা হবে।

ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটে উৎপাদন করা অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা আনবে সরকার। এই টিকা আনার জন্য বাংলাদেশ সরকার, বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যাল ও সেরামের সঙ্গে ত্রিপক্ষীয় চুক্তির কথা আগেই জানানো হয়েছে। এর আগে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলমও ২৬ জানুয়ারির মধ্যে টিকা আসার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছিলেন। আজ বিষয়টি নিশ্চিত করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, সরকার ভ্যাকসিনেশন প্রোগ্রামটা সফলভাবে বাস্তবায়ন করতে চায়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) নীতিমালা অনুসারে যারা ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছেন, আগে তাদের ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। সেখানে বয়স্কদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

তবে যাদের বয়স ১৮ বছরের নীচে তাদের ভ্যাকসিন দেওয়া হবে না বলেও উল্লেখ করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, রাজধানীর সরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ৩০০টি টিকাদান কেন্দ্র করা হবে। এখান থেকে টিকা দেওয়া হবে।

টিকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে জাহিদ মালেক বলেন, সব ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থাকে। এ কথা সব ওষুধের গায়েই লেখা থাকে। টিকা দেওয়ার পর কোনো সমস্যা হলে যেন দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া যায়, সে জন্যই হাসপাতাল বা ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে বেছে নেওয়া হয়েছে টিকাদানের কেন্দ্র হিসেবে।

টিকার দামের প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ৪ ডলার দরে টিকা কিনছে। আর পরিবহন খরচ এক ডলার।

জাহিদ মালেক বলেন, আমরা অন্যদের (অন্যান্য দেশের) তুলনায় স্বল্প সময়ের মধ্যে ভ্যাকসিন দেওয়ার জন্য গত নভেম্বরে (ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের সাথে) একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছিলাম। আমরা এখন কোভিড-১৯ এর ভ্যাকসিন পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছি। আমরা রাশিয়া, চীন এবং অন্যান্য দেশের সাথেও ভ্যাকসিনের জন্য আলোচনা করছি।

জনগণকে যথাযথভাবে ভ্যাকসিন দেওয়ার জন্য ইতমধ্যে ৪ হাজার ২০০ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, কারা আগে ভ্যাকসিন পাবে, এ জন্য আমরা একটি উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন জাতীয় কমিটি তৈরি করেছিলাম। প্রত্যেক সাংবাদিক ঝুঁকি নিয়ে কাজ করার কারণে তারাও আগে ভ্যাকসিন পাবেন।

ডিআরইউ সভাপতি মোরসালিন নোমানীর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমানের সঞ্চালনায় সংবাদ সম্মেলনে ডিআরইউ’র অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

Leave A Reply

Your email address will not be published.