The news is by your side.

ইলিয়াস কাঞ্চনকে হেনস্তার প্রতিবাদে মাঠে চলচ্চিত্র কর্মীরা

0 186

 

বাংলা ছবির কিংবদন্তি অভিনেতা  ইলিয়াস কাঞ্চনকে অপমানের প্রতিবাদে মাঠে দাঁড়ালেন চলচ্চিত্র কর্মীরা। সোমবার বেলা পৌনে ১টায় এফডিসির সামনে মানববন্ধন করেন তারা।

এ সময় বাংলাদেশ পরিচালক সমিতির সভাপতি মুশফিকুর রহমান গুলজার, সহ সভাপতি বদিউল আলম খোকন,  শিল্পী সমিতির সভাপতি মিশা সওদাগর ও সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খান উপস্থিত ছিলেন।

আরও উপস্থিত ছিলেন নায়িকা অঞ্জনা, অরুণা বিশ্বাস, চিত্রনায়ক ইমন, আলেক জান্ডার বো, মারুফ, পরিচালক সোহানুর রহমান সোহান, শাহিন সুমন, ফিল্মক্লাবের সভাপতি আতিকুর রুহমান লিটন ও চলচ্চিত্র পরিবারের নেতারা।

মানববন্ধনে শিল্পী সমিতির সভাপতি মিশা সওদাগর বলেন, ইলিয়াস কাঞ্চন আমাদের কাছে একজন সম্মানী লোক, সম্মানী শিল্পী। দেশের মানুষের রাস্তায় নিরাপদে চলাচলের জন্য ২৫ বছর ধরে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। মানুষের কল্যাণেই নিবেদিত এক প্রাণ। তাকে অপমান করা মানে শিল্পী সমাজকেই অপমান।  আমরা তার অপমান সহ্য করব না। শিল্পীদের রাস্তায় নামতে বাধ্য করবেন না।

সেইসঙ্গে অবিলম্বে নতুন সড়ক আইন বাস্তবায়ন করারও দাবি তোলেন তিনি।

মিশা সওদাগরের পর পরিচালক সমিতির সভাপতি মুশফিকুর রহমান গুলজার বলেন, আমরা ইলিয়াস কাঞ্চনের পাশে আছি।  তিনি বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের রাস্তায় নিরাপদে চলতে কাজ করে যাচ্ছেন। যারা পরিবহন শ্রমিক তাদের নিরাপত্তার জন্যও তার দাবি ভূমিকা রাখবে। তাহলে তাকে কেন অপমান করা হচ্ছে। আমরা চাই ইলিয়াস কাঞ্চনকে কেউ ভুল না বুঝে তার দাবির প্রতি সম্মান জানিয়ে সেগুলো বাস্তবায়নে সহমত পোষণ করুক।

২৫ বছর ধরে ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ আন্দোলনের জন্য সুপারম্যানের মতো একাই লড়ে যাচ্ছেন ইলিয়াস কাঞ্চন।

১৯৯৩ সালে এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় জনপ্রিয় চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চনের স্ত্রী জাহানারা মারা যান। এরপর তিলে তিলে গড়ে তোলেন ‘নিরাপদ সাড়ক চাই’ সংগঠন। দীর্ঘ ২৭ বছর একা একা লড়াই করে চলছেন দেশের মানুষের নিরাপদ সড়কের জন্য।এই সামাজিক আন্দোলনকে তিনি বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে দিয়েছেন। দেশবাসীকে করেছেন সচেতন।

এমন প্রিয় ব্যক্তিত্বের ওপর পরিবহন শ্রমিকদের নোংরা ভাষায় অপমান ও হামলার হুমকিতে ক্ষেপেছেন চলচ্চিত্রের মানুষেরা। ঘটনার প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাতে মাঠে নামলেন আজ।

মানববন্ধনের ডাক দেওয়া ১৮ সংগঠনের মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রযোজক ও পরিবেশক সমিতি, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক, শিল্পী, নৃত্যশিল্পী, চিত্রগ্রাহক, ফাইট ডিরেক্টর, সহকারী পরিচালকদের সমিতিগুলো।

Leave A Reply

Your email address will not be published.