অভিজ্ঞতা বিনিময় করে টেকসই উন্নয়ন সম্ভব Reviewed by Momizat on . অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং সবার সহযোগিতায় দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জন করা সম্ভব হবে। শনিবার সকালে রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে ‘অ্যা অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং সবার সহযোগিতায় দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জন করা সম্ভব হবে। শনিবার সকালে রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে ‘অ্যা Rating: 0
You Are Here: Home » উন্নয়ন » অভিজ্ঞতা বিনিময় করে টেকসই উন্নয়ন সম্ভব

অভিজ্ঞতা বিনিময় করে টেকসই উন্নয়ন সম্ভব

South_Asian_Speakers_ML1_489704872

অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং সবার সহযোগিতায় দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জন করা সম্ভব হবে।

শনিবার সকালে রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে ‘অ্যাচিভিং সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট গোল’ শীর্ষক দু’দিনব্যাপী সাউথ এশিয়ান স্পিকারস সামিটের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা এ কথা বলেন।

সামিটে অংশ নিয়েছেন স্পিকার শিরিন শারমিন চৌধুরী, ভারতের লোকসভার স্পিকার সুমিত্রা মহাজন, ভুটানের পার্লামেন্টের স্পিকার জিগমে জ্যাংপো, মালদ্বীপের পার্লামেন্টের স্পিকার আব্দুল্লাহ মাসিহ মোহাম্মদ ও আফগানিস্তানের পার্লামেন্টের স্পিকার আব্দুর রউফ ইব্রাহিমী।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আইপিইউ প্রেসিডেন্ট ও বাংলাদেশ সংসদের সদস্য সাবের হোসেন চৌধুরী।

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে জলবায়ু পরিবর্তন, পরিবেশ দূষণ ও দারিদ্র্যকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নেওয়া হয়েছে বলে জানান বক্তারা।
ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার প্রত্যেকটি দেশ তার সম্পদের সঠিক ব্যবহার ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি মোকাবেলার মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন করতে পারে। টেকসই উন্নয়নে জনপ্রতিনিধিদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

সুমিত্রা মহাজন বলেন, একবিংশ শতাব্দী হবে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন অর্জন সম্ভব। তিনি বলেন দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো খুবই জনবহুল হওয়ায় এসডিজি বাস্তবায়ন করতে আমাদের অনেক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়। তাই এসডিজি অর্জনে এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আমাদের মত জনপ্রতিনিধিদের কাজ করতে হবে।
দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো ঐকমত্যের ভিত্তিতে টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে সক্ষম হবে বলে মনে করেন মালদ্বীপের স্পিকার আব্দুলাহ মাসিহ মোহাম্মদ। তিনি বলেন, টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে হলে আমাদের সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এমডিজি) অর্জনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে হবে।
সম্মেলনের ধারণাপত্রে বলা হয়, এসডিজি’র সফলতা সারাবিশ্বের মানুষের জীবনযাত্রায় পরিবর্তন নিয়ে আসবে। আইপিইউ’র সদস্য দেশগুলো এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের ক্ষেত্রে অঙ্গীকারাবদ্ধ।

আইপিইউ সদস্য দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সহায়তা করতে পারে।
সম্মেলনের আলোচনায় পাঁচটি বিষয় প্রাধান্য পাচ্ছে। এগুলো হলো- দক্ষিণ এশিয়ায় এসডিজির গুরুত্ব, এসডিজি বাস্তবায়ন ও অগ্রগতি পর্যালোচনায় পার্লামেন্টগুলোর ভূমিকা, এসডিজির স্বাস্থ্য ও সমৃদ্ধি সংক্রান্ত গোল-৩ এর অধীন সুযোগসমূহ, তামাক মহামারির বর্তমান অবস্থা ও নিয়ন্ত্রণে কৌশল নির্ধারণ, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে তামাকের ব্যবহার কমিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় নীতিকৌশল প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন।


অভিজ্ঞতা বিনিময় করে টেকসই উন্নয়ন সম্ভব

South_Asian_Speakers_ML1_489704872

অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং সবার সহযোগিতায় দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জন করা সম্ভব হবে।

শনিবার সকালে রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে ‘অ্যাচিভিং সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট গোল’ শীর্ষক দু’দিনব্যাপী সাউথ এশিয়ান স্পিকারস সামিটের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা এ কথা বলেন।

সামিটে অংশ নিয়েছেন স্পিকার শিরিন শারমিন চৌধুরী, ভারতের লোকসভার স্পিকার সুমিত্রা মহাজন, ভুটানের পার্লামেন্টের স্পিকার জিগমে জ্যাংপো, মালদ্বীপের পার্লামেন্টের স্পিকার আব্দুল্লাহ মাসিহ মোহাম্মদ ও আফগানিস্তানের পার্লামেন্টের স্পিকার আব্দুর রউফ ইব্রাহিমী।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আইপিইউ প্রেসিডেন্ট ও বাংলাদেশ সংসদের সদস্য সাবের হোসেন চৌধুরী।

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে জলবায়ু পরিবর্তন, পরিবেশ দূষণ ও দারিদ্র্যকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নেওয়া হয়েছে বলে জানান বক্তারা।
ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার প্রত্যেকটি দেশ তার সম্পদের সঠিক ব্যবহার ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি মোকাবেলার মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন করতে পারে। টেকসই উন্নয়নে জনপ্রতিনিধিদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

সুমিত্রা মহাজন বলেন, একবিংশ শতাব্দী হবে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন অর্জন সম্ভব। তিনি বলেন দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো খুবই জনবহুল হওয়ায় এসডিজি বাস্তবায়ন করতে আমাদের অনেক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়। তাই এসডিজি অর্জনে এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আমাদের মত জনপ্রতিনিধিদের কাজ করতে হবে।
দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো ঐকমত্যের ভিত্তিতে টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে সক্ষম হবে বলে মনে করেন মালদ্বীপের স্পিকার আব্দুলাহ মাসিহ মোহাম্মদ। তিনি বলেন, টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে হলে আমাদের সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এমডিজি) অর্জনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে হবে।
সম্মেলনের ধারণাপত্রে বলা হয়, এসডিজি’র সফলতা সারাবিশ্বের মানুষের জীবনযাত্রায় পরিবর্তন নিয়ে আসবে। আইপিইউ’র সদস্য দেশগুলো এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের ক্ষেত্রে অঙ্গীকারাবদ্ধ।

আইপিইউ সদস্য দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সহায়তা করতে পারে।
সম্মেলনের আলোচনায় পাঁচটি বিষয় প্রাধান্য পাচ্ছে। এগুলো হলো- দক্ষিণ এশিয়ায় এসডিজির গুরুত্ব, এসডিজি বাস্তবায়ন ও অগ্রগতি পর্যালোচনায় পার্লামেন্টগুলোর ভূমিকা, এসডিজির স্বাস্থ্য ও সমৃদ্ধি সংক্রান্ত গোল-৩ এর অধীন সুযোগসমূহ, তামাক মহামারির বর্তমান অবস্থা ও নিয়ন্ত্রণে কৌশল নির্ধারণ, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে তামাকের ব্যবহার কমিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় নীতিকৌশল প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন।

About The Author

admin

সংবাদের ব্যাপারে আমরা সত্য ও বস্তুনিষ্ঠতায় বিশ্বাস করি।বিশ্বাস করি, মুক্তিযুদ্ধের সুমহান চেতনায়। আমাদের প্রত্যাশা একাত্তরের চেতনায় বাংলাদেশ এগিয়ে যাক সুখী সমৃদ্ধশালী উন্নত দেশের পর্যায়ে।

Number of Entries : 7525

Leave a Comment

সম্পাদক : সুজন হালদার, প্রকাশক শিহাব বাহাদুর কতৃক ৭৪ কনকর্ড এম্পোরিয়াম শপিং কমপ্লেক্স, ২৫৩-২৫৪ এলিফ্যান্ট রোড, কাঁটাবন, ঢাকা থেকে প্রকাশিত। ফোনঃ 02-9669617 e-mail: info@visionnews24.com
Design & Developed by Dhaka CenterNIC IT Limited
Scroll to top